![]()
পটুয়াখালী: দশমিনা উপজেলার ভাঙ্গনকবলিত তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত শুক্রবার রাতে মাইকিং করে এবং গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ২টার দিকে সাইনবোর্ড স্থাপন করে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট এলাকায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেড়িবাঁধে ফাটল দেখা দেয়। ওই রাতেই বেড়িবাঁধ ভেঙে কৃষিজমি ও বসতঘর পানিতে প্লাবিত হয়। ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ভাঙ্গনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করতে থাকেন। শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভাঙ্গন দেখতে সেখানে আসা-যাওয়া করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়া অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় চার দিন ধরে উপচে পড়া জনস্রোত দেখা গেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘুরতে আসা এক দম্পতির একটি শিশু ভাঙন দেখতে গিয়ে পড়ে যায়। আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাই। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার থেকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিকেল থেকে পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গত মঙ্গলবার থেকে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ সেখানে আসা-যাওয়া করছে। অনেকে ফাটলের একেবারে সামনে বসে থাকেন। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়া অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’
মাহমুদ হাসান মৃধা আরও বলেন, ‘ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্যই এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:০৩:২৫ ৩০ বার পঠিত | ● তেঁতুলিয়া ● দশমিনায ● নদীর ● ভাঙ্গন