ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• রাজবাড়ীতে মসজিদ থেকে বেরিয়েই গুলিতে নিহত ১৪ মামলার আসামি • রাজধানীর শ্যামলীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই নারীর • ত্রিশালে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্পিনিং মিলের দুই শ্রমিকের, আহত ৯ • শেরপুরে সংঘর্ষের জেরে মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ • সাভারে তিন দিন নিখোঁজ ইতালি প্রবাসী • এক লুটেরার হাত থেকে অন্য লুটেরার হাতে ক্ষমতা গেছে,সরকারকে কড়া আক্রমণ জামায়াত আমিরের • গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়,চাঁদাবাজদের হুঁশিয়ারি রুমিনের • জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন • কঁচা নদীতে অভিযান, সাড়ে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস • ভেড়ামারায় বাল্যবিবাহের আয়োজন, বরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ময়মনসিংহ » শেরপুরে সংঘর্ষের জেরে মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

শেরপুরে সংঘর্ষের জেরে মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


শেরপুরে সংঘর্ষের জেরে মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

শেরপুর: জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শেরপুরের নকলা উপজেলায় একটি মাজারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে বানেশ্বর্দী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মাজার নিয়ে বিরোধে জড়িত দুই পক্ষ আলোচনায় বসে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত নকলা থানার পাশেই সালিশে দুই পক্ষের কয়েক শ মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের কান্দাপাড়া এলাকায় প্রায় ৪৫ শতাংশ জমির ওপর ১০ বছর আগে মাজারটি গড়ে ওঠে। স্থানীয় আধ্যাত্মিক সাধক আরফুজ পাগলের নামে তাঁর শিষ্য ও অনুসারীরা মাজারটির নামকরণ করেন। আরফুজ ল্যাংটা পাগল হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে মৃত্যুর পর আরফুজ পাগলকে তাঁর পৈতৃক ভিটা কান্দাপাড়ায় দাফন করা হয়। পরে স্বজন ও শিষ্যরা সেখানে মাজার গড়ে তোলেন। প্রতিদিন সেখানে অনেক মানুষ সাধনা করতে আসতেন।

আরফুজের মা-বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। তাঁর এক ভাই ছিলেন, তিনিও মারা গেছেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর ৪৫ শতাংশ জমি ভাগ-বাঁটোয়ারা করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, জমি নিয়ে চাচা-ভাতিজার মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৫-৬ জনের উদ্যোগে ৫০-৬০ জনকে নিয়ে সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠক চলাকালে নামাজের সময় হলে সবাই নামাজ পড়তে চলে যান। নামাজ শেষে ২০০-২৫০ জন মাজারে অনৈতিক কাজ হয়—এমন অভিযোগ তুলে হামলা চালান। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে মাজারটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানান ওই ব্যক্তি।

খবর পেয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার, নকলা থানার ওসিসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা চেষ্টা চালিয়ে উত্তেজিত লোকজনকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ‘জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব। একপক্ষ মাজার রাখবে। অপর পক্ষ রাখবে না। তারা জমি ভাগ করে নেবে। এ নিয়ে ঝামেলা শুরু হলে আসাদুজ্জামান কেনু মিয়া গং মাজার ভাঙচুর শুরু করেন। প্রতিরোধ করতে আসেন আবু হানিফা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে পাবলিক কিংবা কোনো মুসল্লি এসে মাজার ভাঙেনি। কারা ভেঙেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৯:১৫   ১৩ বার পঠিত  | ●   ●   ●   ●







ময়মনসিংহ থেকে আরও...


● ত্রিশালে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্পিনিং মিলের দুই শ্রমিকের, আহত ৯
● শেরপুরে সংঘর্ষের জেরে মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
● নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে পাঁচ গুলি, মোটরসাইকেলে পালায় হামলাকারীরা
● মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই: মোতাহার হোসেন
● রামভদ্রপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ আহামেদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি এলাকাবাসীর



আর্কাইভ