ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
ফরিদপুর:ভাঙ্গায় জালাল মোল্লা (৫২) নামের এক কৃষকের হটাৎ মৃত্যুর পর তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের মক্ররমপুটি গ্রামের ঘটনা। এদিকে ঘটনার ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জালালের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জলিল মাতুব্বর ও দবির মাতুব্বরের বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্থানীয়রা থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তদন্তকার্য শুরু করে। তবে, জালালের পরিবারের সঙ্গে এ বিষয়ে একািধকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি।
জালাল মোল্লা মক্ররমপুটি পশ্চিম পাড়া গ্রামের রতন মোল্লার ছেলে। সে পেশায় কৃষি কাজ করতেন।
স্থানীয়রা জানায়, এদিন বিকেলে জালাল তাঁর শোবার ঘরে স্ত্রীর সঙ্গে শুয়ে ছিলো। হটাৎ তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে জানাযায়, স্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ মুহুর্তে কাছে যেতেই জালালের অন্ডকোষে আঘাত করেন তাঁর স্ত্রী। এর কয়েক মিনিটি পরই জালাল কাপতে কাপতে ঘর থেকে বের হতেই দরজায় শুয়ে পড়েন। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যায় জালাল। জালালের মৃত্যুর পর পরই তাঁর স্ত্রীও বাড়ি থেকে পলাতক রয়েছে। ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় জালালের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয় পুরো গ্রামে। প্রতিবেশীরা কয়েকজন জানায়, প্রকৃত ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে জালালের ষ্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে ছড়ানো হচ্ছে। তাই, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তে মাধ্যমে জালালের প্রকৃত মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের দাবি জানান স্থানীয়রা।
ঘারুয়া ইউপি সদস্য জলিল মাতুব্বরের মোবাইলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, অভিযোগের বিষয়ে কোন সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন জানিয়ে মোবাইলের সংযোগটি কেটে দেন।
এ রিপোর্টটি লেখার রাত সাড়ে ৮ টার আগ পর্যন্ত ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। জালালের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্নয়ের জন্য প্রাথমিক তদন্তকার্য করছে পুলিশ। পরবর্তিতে বিস্তারিত জানানো হবে।
এমএম
বাংলাদেশ সময়: ২২:৪৫:০০ ১৫২ বার পঠিত | ● ● কৃষক ● ফরিদপুর ● ভাঙ্গা ● মৃত্যু ● রহস্য