ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
খুলনা: পাইকগাছায় বসতবাড়ি ও জমি নিয়ে ননদ ও ভাবীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ, আইনজীবী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের নাছিরপুর মৌজায় মৃত শেখ আমজাদুর রহমানের ছোট স্ত্রী’র মেয়ে মনজিলা খাতুন, বড় স্ত্রীর ছেলে আওরঙ্গজেবের স্ত্রী সাথী আজাদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বসতবাড়ি ও জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে।
মনজিলা খাতুন জানান, মৃত আমজাদুর রহমানের তিন স্ত্রী, ছয় ছেলে ও চার মেয়ে ছিল। কপিলমুনির নাছিরপুর মৌজায় তার মালিকানাধীন সাড়ে ১৫ শতক জমির উপর একটি চারতলা বিশিষ্ট ভবন রয়েছে। তিনি তার ওয়ারিশ অনুযায়ী প্রাপ্য এক শতক জমির উপর নির্মিত পাকা বসতবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।
মনজিলা আরও জানান, আমজাদুর রহমান জীবদ্দশায় বড় স্ত্রীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনকে দানপত্রের মাধ্যমে ওই জমির মালিকানা দেন। তবে দুই মেয়ে, মনজিলা ও রেজিনা, ওয়ারিশ হিসেবে জমির ভোগদখলে রয়েছেন। দানপত্রের বৈধতা নিয়ে মনজিলা পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৩৩/২০০৬ নং মামলা করেন, যা এখনও বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া নগরশ্রীরামপুর মৌজায় ৭৭ শতক জমি নিয়েও বিরোধ চলছে, যেখানে মনজিলা প্রায় ৫ শতক জমির দাবি করেছেন।
মনজিলা অভিযোগ করে বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানকালে প্রতিপক্ষ সাথী আজাদ গং তার কপিলমুনি নাছিরপুরের বাড়িটি সংস্কারের নাম করে দখলের চেষ্টা চালায়। তিনি আরো জানান, নিজের তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে সাথী আজাদ ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে পড়ে।
অন্যদিকে সাথী আজাদ দাবি করেন, আমাদের নিজস্ব বসতঘরে মনজিলা খাতুন তালা মেরে দেন। আমরা সেই তালা ভেঙেছি।
শনিবার সকালে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অভিযোগকৃত জমি পরিমাপ করে বিরোধ নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২২:৪০:১৩ ১৮৮ বার পঠিত | ● ঘর ● চেষ্টা ● দখল ● পাইকগাছা