ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
নোয়াখালী: বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় আদনান আমিন নামে এক শিশুকে অপহরণের পর মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। হাতিয়া থানার পুলিশ ও র্যাবের সহযোগিতায় আসামী ২ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া একজন হলেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মো: সারু মিয়ার ছেলে মো: জামাল হোসেন (৩০), অপরজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জালসুগা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে পাখি বেগম (২৭)।
মামলার সূত্রে জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১১ টায় চরকিং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ফরাজী গ্রাম বাড়ির পাশে ভাসমান অবস্থায় ডোবা থেকে আদনানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্ত হাতিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আদনান আমিন ফরাজী গ্রাম এলাকার মো: হক লালের ছেলে। শিশু আদনানের মা হাসিনা আকতার বলেন, গত ৩ জুন মঙ্গলবার সন্ধায় ৭টার পরে আমার ছেলে আদনান আমিন (৫) নিখোঁজ হয়। আমি সহ কয়েকজন অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে পাইনি। পরদিন বুধবার (৪ জুন) ১নং আসামীর ব্যবহৃত-০১৩৪১৮২৩২৯০ নাম্বার থেকে আমার মায়ের মোবাইল নং-০১৭৮৮৫৪৫০২০ তে কল আসে, কল রিসিভ করার পরে সে ক্ষিপ্ত স্বরে আমাকে বলে যে, তোমার ছেলে আদনান আমিন আমার কাছে আছে। তুমি তোমার ছেলেকে পাইতে হইলে, আমার ঠিকানা দেবীদ্বার কুমিল্লায় চলে আসো। ছেলেকে জীবিত পেতে হলে ১০ লাখ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে, যদি না আস, তোমার ছেলেকে পাইবা না। তাকে হত্যা করা হবে। এই জাতীয় হুমকি দেয়। পরে আসামী বহুদুরে থাকায় আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব হয় নাই। আমি নিরুপায় হয়ে হতভম্ব হয়ে পড়ি। তারপরে হাতিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি।
অভিযোগ দায়ের করার পর গত বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১১ টায় চরকিং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ফরাজী গ্রাম বাড়ির পাশে ভাসমান অবস্থায় ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরে ০৬ জুন শুক্রবার ২০২৫ তারিখে হাতিয়া থানায় দুইজনকে বাদী করে একটি মামলা করেন আদনান আমিনের মা। মামলার সূত্র ধরে হাতিয়া থানার পুলিশ ও র্যাবের সহযোগিতায় আসামী ২ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া একজন হলেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মো: সারু মিয়ার ছেলে মো: জামাল হোসেন (৩০), অপরজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জালসুগা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে পাখি বেগম (২৭)।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা হাতিয়া থানার সাব ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. আবদুল বারী জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আফ/আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:০৪:১৫ ১২৭ বার পঠিত | ● গ্রেফতার ● নোয়াখালী ● শিশু ● হত্যা ● হাতিয়া