ঢাকা    রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড • মানিকগঞ্জের বেউথায় কালীগঙ্গায় নৌকাবাইচ ঘিরে জনসমুদ্র • দুমকির অপহৃত ১২ বছরের শিশুকে কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ • আড়াইহাজারে নবনিযুক্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সংবর্ধনা • ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ • কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল • আসিয়াবের ১০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, সাবেক হিসাবরক্ষক হাফিজ কারাগারে • বাল্যবিয়ের ছোবলে কমছে উলিপুরের বালিকা শিক্ষার্থী, সংকটে প্রতিষ্ঠান • অনুমতির ছাড়াই পাহাড় কাটায় নবীগঞ্জে মাটি বিক্রি, বন্ধ করল প্রশাসন • হলতা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোর জিহাদের মরদেহ উদ্ধার


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » দোহাজারী হাসপাতালে রেবিস ভ্যাকসিন সংকট

দোহাজারী হাসপাতালে রেবিস ভ্যাকসিন সংকট




দোহাজারী হাসপাতালে রেবিস ভ্যাকসিন সংকট

চট্টগ্রাম: চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন কুকুরের কামড় ও আঁচড়ে আহত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন দোহাজারী ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে। দিন দিন বেড়ে চলা কুকুরের উপদ্রবে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কও বাড়ছে। তবে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় রেবিস ভ্যাকসিনের সংকট থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের পর জলাতঙ্ক প্রতিরোধে দ্রুত সময়ের মধ্যে রেবিস ভ্যাকসিন গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে এই টিকা পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন অনেক রোগী। বাধ্য হয়ে স্থানীয় ফার্মেসি থেকে উচ্চমূল্যে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে তাদের।

ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় ফার্মেসিগুলোতে প্রতিটি রেবিস ভ্যাকসিনের দাম রাখা হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। একজন আক্রান্ত ব্যক্তিকে কমপক্ষে চারটি ডোজ নিতে হয়। গুরুতর ক্ষতের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ডোজ প্রয়োজন হওয়ায় ব্যয় আরও বেড়ে যায়। এতে দরিদ্র ও দিনমজুর পরিবারগুলোর জন্য চিকিৎসা ব্যয় বড় ধরনের চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া দোহাজারী পৌরসভা এলাকায় অনেক ফার্মেসিতেও প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন না থাকায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে সাতকানিয়ার কেরানিহাটসহ দূরের বিভিন্ন স্থানে। এতে ভোগান্তি ও দুশ্চিন্তা আরও বাড়ছে।

রোগীদের অভিযোগ হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা না পেয়ে অর্থাভাবে কেউ কেউ কবিরাজের ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নিচ্ছেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়ে দোহাজারী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানজিমুল ইসলাম বলেন, “চাহিদা অনুযায়ী হাসপাতালে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক সব সময়ই কম থাকে। গত কয়েক মাস ধরে সংকট চলছে। আমরা হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক, ওয়াশ ও পেইন কিলার দিতে পারছি। কিন্তু মূল ভ্যাকসিন রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে রোগীরা চিকিৎসকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নিয়মিত টিকা সরবরাহ হলে সবাই দ্রুত চিকিৎসাসেবা পেতেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশ্মি চাকমা বলেন, “কুকুরের কামড়ের কিছু ভ্যাকসিন এখনো আছে, যা স্ব-ব্যবস্থাপনায় কেনা হয়েছে। তবে আমাদের দুটি হাসপাতাল হওয়ায় দোহাজারী হাসপাতালে সরবরাহ করা ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গেছে। আবারও ভ্যাকসিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একজন রোগীকে ৪ বার ডোজ দিতে হওয়ায় পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে এমপি মহোদয়, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:২৩:২৭   ১৩৩ বার পঠিত  | ●   ●   ●   ●   ●







চট্রগ্রাম থেকে আরও...


● নবীনগরে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত চালুর দাবি বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের
● হাতিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধানসহ তিনজন আটক
● এক ইলিশ বিক্রি হলো সাড়ে ১৩ হাজার টাকা
● হাতিয়ার একট্রলার৬০ মণ ইলিশ, বিক্রি ২০ লাখ টাকায়
● হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান, হাতাহাতিতে আহত ৮



আর্কাইভ