ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
নীলফামারী: কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারের অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে নিয়ে সম্প্রতি মিথ্যা সংবাদ উপস্থাপনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে (১৯ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক শিক্ষিকা, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাফি। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি গোলাম শামীম মোস্তাজির, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জয়নাল আবেদীন ও অভিভাবক মোশাররফ হোসেন নানা অনিয়ম, হয়নারী ও বিদ্যালয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে বক্তব্য দেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাফি অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৬ই অক্টোবর ক্ষমতার অপব্যবহার, হয়রানী, অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের কারণে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে বরাখাস্ত হন আব্দুস সাত্তার।
বরখাস্ত হওয়ার পর থেকেই নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন আব্দুস সাত্তার। সম্প্রতি তারই ইন্ধনে সাংবাদিকদের মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করায়। যা পুরোপুরি মিথ্যে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট ছিলো। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।
বলেন, তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বলেন, আব্দুস সাত্তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। শিক্ষকদের অবমুল্যায়ন করতেন, দাম দিতেন না নানাভাবে হয়রানী করতেন। যার শিকার হই আমি নিজেও।
অভিভাবক মোশাররফ হোসেন বলেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের নিয়ে বিদ্যালয়টি দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছিলেন। উন্নয়ন তো হয়নি বরং লুটেপুটে খেয়েছেন প্রধান শিক্ষক ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের নেতারা।
বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজাহার হোসেনকে ও ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি আমিনুর রহমানকে পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বানিয়ে দুর্নীতিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম শামীম মোস্তাজির বলেন, আমি দায়িত্বে আসার পর বিদ্যালয়টির পরিবেশ উন্নয়নের কাজ শুরু করি। এবারই প্রথম এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধণা প্রদান করি, ইফতার মাহফিলের আয়োজন করি।
টিউশন ফি, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ফরম ফিলাপ সহ শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি করেছেন। যার কারণে তিনি বরখাস্ত হয়েছেন।
তিনি ছিলেন আওয়ামী ফ্যাসিস্টের অন্যতম সহযোদ্ধা। এই বিদ্যালয়টি ছিলো আওয়ামীলীগের দখলে। স্থানীয়রা সে সময়ে কিছুই বলতে পারেননি ভয়ে। বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি নানা ভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং বিদ্যালয়ের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছেন।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২২:২২:৫৯ ১৫১ বার পঠিত | ● নীফামারী ● শিক্ষক ● সংবাদ. সম্মেলন