ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
মাগুরা: মহম্মদপুরে মধুমতী নদীর ভাঙনে প্রায় এক কি:মি: পাকা রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিপাকে পড়েছেন চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। তবে শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর। তবে দীর্ঘ এই নতুন রাস্তাটিকে নদী ভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। রাস্তাটির কিছু অংশ গত বছর বর্ষা মৌসুসে ভেঙ্গে ছিল। এবছর অধিকাংশ অংশ ভেঙ্গে যাওয়ায় এটি চলাচলের একেবারেই অনুডোযোগী হয়ে পড়েছে।
২০২০-২০২১ অর্থ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যায়ে এলজিইডি রাস্তাটি নির্মাণ করে। চার বছর না যেতেই রাস্তাটির দুই তৃতীয়াংশ এ বছর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় বিপাকে পড়েছে চার গ্রামের অসংখ্য মানুষ। এ রাস্তা দিয়েই কয়েক হাজার মানুষ কে ঝামা বাজারসহ উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে হয় এমনকি স্কুল-কলেজের অসংখ্য শিক্ষার্থীকে এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। তবে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিকল্প চলাচলে সংকীর্ণ রাস্তা করা হলেও দুর্ভোগ কমেনি তাদের।
ঝামা বাজার বটতলা থেকে রাস্তাটি শুরু হয়ে কালিশঙ্করপুর প্রধান সড়কে সংযুক্ত হয়ে যশোবস্তপুর, দেউলি, উথলি এবং কালিশংকরপুর এই চার গ্রামের মানুষের উপজেলা শহরের সাথে যোগযোগ সহজতর করেছিল যা পথচারীদের সময় এবং খরচ বাঁচাতে সহায়ক ছিল। উথলি গ্রামের খালেক মুন্সি বলেন, সরকারের উদাসীনতায় নদী ভাঙনে এত সুন্দও একটি রাস্তা নদীতে ভেঙ্গে গেলো। ঝামা
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেশমা নামের এক স্কুল ছাত্রী বলেন, যখন রাস্তাটি ছিল তখন আমরা খুব সহজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারতাম। এখন কাঁদা-মাটি ডিঙ্গিয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়।
মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন বলেন, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী কে নিয়ে আমরা রাস্তাটি পরিদর্শন করেছে। সেখানে এখন আর করার কিছু নাই।
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন বলেন, রাস্তাটি পরিদর্শন করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেছে। পানি কমলে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৫:৫৫ ২২৬ বার পঠিত | ● নদী ● ভাঙন ● মধুমতী ● মহম্মদপুর