ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন উলিপুরে ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোবিন্দাসী ৫ কোটি টাকার গরুর হাটের ইজারা মূল্য এখন অর্ধ কোটি! ভেড়ামারায় ‘ভূমি সেবা মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ষণের শিকার নারী টানা দ্বিতীয়বার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন খোকন কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » সেনাবাহিনীকে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি:রুমিন ফারহানা

সেনাবাহিনীকে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি:রুমিন ফারহানা


খ.ম.জায়েদ হোসেন,নাসির নগর,(ব্রাহ্মণ বাড়ীয়া)
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫


সেনাবাহিনীকে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি:রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, সেনাবাহিনীকে যে ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণ করা হয়েছে, বাংলাদেশের জন্মের পর কোন আমলে, কারো সময়ে এই ধরনের চটুল, অসভ্য, সভ্যতা বিবর্জিত মন্তব্য করা হয়নি। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

‘ইদানীং লক্ষ্য করা যায় যেখানে সেনাবাহিনীর নাম আসে, যেখানে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানকে একরকম দায়ী করার প্রবণতা থাকে। এটা কেন কারা করে?’ এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, যারা মুখে বাকি সবাইকে ভারতের এজেন্ট বলে কিন্তু সত্যিকার অর্থে এজেন্ট হিসেবে পারপাস সার্ভ করে তারা দেশের বাইরে থেকে সর্বত্র সেনাপ্রধানের দোষ দেখে।

রুমিন ফারহানা বলেন, আমি খুবই বিনীত ভাবে মনে করিয়ে দেই পহেলা আগস্ট থেকে পাঁচ আগস্ট ২০২৪, আমি নিজে মাঠে ছিলাম। সেই সময় চারপাশ থেকে স্লোগান আসছিল— এই মুহূর্তে দরকার সেনাবাহিনী সরকার। সেই সময় যদি সেনাপ্রধান ক্ষমতা নিতেন, আপনি বিশ্বাস করেন মানুষ খুশি ছাড়া কেউ বেজার হতো না। সবাই আনন্দিত হতো।

কিন্তু সেনাপ্রধান সেটি করেননি, তিনি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিজে পরিষ্কার বলেছেন এবং সেটা কাজে পরিণত করেছেন যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে তিনি রাজনীতির সঙ্গে আর যুক্ত করতে চান না। সে কারণেই গত ১৪ মাস তার উপরে নানান রকম মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, তারা সেনাপ্রধানকে সামনে রেখে, সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে নিজেদের যে ফায়দা হাসিল করতে চেয়েছিল ১৪ মাসে তারা মিজারেবলি ফেল করেছে এবং সেনাপ্রধান শুধু একবার না বারবার তার প্রজ্ঞা এবং ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হলে কোর্ট মার্শাল হতো সেনাপ্রধানের এবং তার ফাঁসি হতো। এক্সিস্টিং সরকারের অর্ডারের বিরুদ্ধে গিয়ে সাধারণ জনগণের কাতারে দাঁড়ানোর অপরাধে তার কোর্ট মার্শাল হতো। সুতরাং কোন একজন ব্যক্তিকে যদি আপনি আইসোলেট করেন যে ফরমালি তার উপরে আওয়ামী লীগের খড়গহস্ত নেমে আসতো, সেটা হচ্ছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সৌভাগ্য যে জেনারেল ওয়াকারের মতো একজন সেনাপ্রধান পেয়েছে। ওই ৩৬ দিনের তার যে অবদান সেটাকে আমি সরিয়ে একপাশে সরিয়ে রেখে বলি, তিনি চাইলে বাংলাদেশকে মিলিটারি শাসনের দিকে নিতে পারতেন, নেন নাই।

তিনি একজন আর্মি পার্সোনাল হয়ে বারবার বারবার নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন, এটা কিন্তু একজন আর্মি পার্সোনাল কাছ থেকে আমরা দেখে অভ্যস্ত না। অর্থাৎ সমস্ত নর্ম যেগুলো আমরা দেখে অভ্যস্ত সেই জায়গাগুলো ভেঙ্গে দিয়ে তিনি একেবারে পেশাদারিত্বের একটা পরিচয় দিয়েছেন।

এন,আর

বাংলাদেশ সময়: ১৭:৪৯:১১   ১২২ বার পঠিত  |         







চট্রগ্রাম থেকে আরও...


দোহাজারী হাসপাতালে রেবিস ভ্যাকসিন সংকট
আনোয়ারা সার্কেলে নতুন এএসপি মাহমুদুল হাসানের যোগদান
নবীনগরে মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ
সভাপতি আনোয়ার ও সম্পাদক আফছার হাতিয়ায় সেন্টারবাজার বনিকি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন
দেড় মাস বষয়সে হামে কেড়ে নিল মিশকাতকের প্রান



আর্কাইভ