ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রংপুর » উলিপুরে কনকনে শীতে জনজীবন স্থবির,পাঁচ দিনও দেখা মেলেনি সুর্য্যর

উলিপুরে কনকনে শীতে জনজীবন স্থবির,পাঁচ দিনও দেখা মেলেনি সুর্য্যর


উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫


 উলিপুরে কনকনে শীতে জনজীবন স্থবির,পাঁচ দিনও দেখা মেলেনি সুর্য্যর
কুড়িগ্রাম: উলিপুরে ভারী শীত আর কনকনে ঠান্ডা সেই সাথে সিঁড় সিঁড়ি বাতাসে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত পাঁচ দিন ধরে সুর্য্যরে দেখা মেলেনি। আজকের তাপ মাত্রা ছিল ১২.৫৩। ফলে ব্যাপক ভাবে দেখা দিয়েছে শিশু ডাইরিয়া, কলেরা ডাইরিয়া,শ^াস কষ্ঠ ও শীতজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগির বেশীর ভাগেই শিশু ও বৃদ্ধ।
সরেজমিনে মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর উপজেলা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়,গত ৩দিনে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্ত্তি হয়েছে ১৩৭ জন। ২৭ ডিসেম্বর ৪১ জন, ২৮ ডিসেম্বর ৪৬ জন, ২৯ ডিসেম্বর ৪৬ জন ও ৩০ ডিসেম্বর সকালে ৪ জন ভর্ত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ডাইরিয়া আক্রান্ত ২৯ জন, নিমনিয়া আক্রান্ত ১৫ জন। অন্যরা শ্বাসকষ্ট ও শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশী। বাকীরা বয়বৃদ্ধ নারী ও পুরুষ। ভর্ত্তি শিশু রোগিরা হলেন, হোসাইন ১৬ মাস, শাখাওয়াত হোসেন ৮ মাস, আল ময়ান ৪ মাস, ছামিয়া ৫ মাস, আদিত্ত ১১ মাস, আনাস মিয়া ১৪ মাস।
নাইগাছ ইউনিয়নের চিকিৎসা নিচ্ছেন তাসিন মিয়া (১৭) মাস, তার মা নুরে জান্নাত বলেন, ৩তিন থেকে তাসিনের বমি ও ডাইরিয়া দেখা দেয়। অস্বাভাবিক শীতের কারনে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। মোজাহিদ পাড়া দলদলিয়া গ্রামের মহসিন আলী (৭৫) বলেন, গত ২দিন হয় ভর্ত্তি হয়েছি। এখানে কোন ঔষধ পাওয়া যায় না সব বাহির থেকে কিনতে হয়। রক্ত ও প্রস্রাব পরিক্ষা করতে দিয়েছে। হাসপাতালে পরিক্ষা করলে ২৮০ টাকা নেয়। তার অভিযোগ হাসপাতালে তো সব বিনা পয়সায় হওয়ার কথা। রাজারাম ক্ষেত্রী গ্রামের নাজমা বেগম (৪৫) বলেন, ২দিন হয় ভর্ত্তি হয়েছে। এখানে কোন চিকিৎসা নাই বলে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
সুপারভাইজার নার্স পারুলা খাতুন বলেন, কিছু দিন আগে ঔষধের সংকট ছিল। এখন কিছুটা সংকট কেটেছে । কিন্ত পুরোপুরি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। যেভাবে শীতজনিত রোগির সংখ্যা বাড়ছে তাতে করে ঔষধ ও বিশেষ করে কলেরা স্যালাইনের সরবরাহ বৃদ্ধি না করলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
ভারঃ প্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.বিষাদ চন্দ্র সরকার বলেন,শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি হচ্ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে ডাইরিয়াসহ শীতজনিত রোগির সংখ্যা বাড়ছে। তবে ঔষধ সংকটের কথা কৌশলে স্বীকার করে বলেন, ঔষধ বরাদ্ধ উপজেলা ভিত্তিক সমান দেওয়া হয়। কিন্ত এ উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ মানুষের বাস। তাই খুব হিসাব করে চলতে হয়। পরিক্ষা করতে সরকারী ফি বাবদ ৫০ টাকা নেওয়া হয়। কেন বেশী নিল তা দেখা হবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:২৩:৪১   ১১০ বার পঠিত  |         







রংপুর থেকে আরও...


অভিযোগ ধামাচাপা দিতে পাইলট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দৌড়ঝাঁপ
পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
অবৈধ সার ব‍্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
রমজানে পীরগঞ্জে বাজার বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম
উলিপুরে সাংবাদিকদের সাথে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর মতবিনিময়



আর্কাইভ