ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
কুষ্টিয়া: ভেড়ামারা উপজেলায় আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে কাটা হচ্ছে সরকারি জমির মাটি। বেপরোয়া মাটি ব্যবসায়ীরা মানছেন না কোন বিধি-নিষেধ। উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের গোলাপনগর গোপিনাথপুর এলাকার বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেজা) ইপিজেড প্রস্তাবিত জমি থেকে মাটি তোলা হচ্ছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ ফুট গভীর করে। এখান থেকে মাটি খননের সরকারি অনুমতি না থাকলেও মাটি তোলা হচ্ছে অবাধে। জোরপূর্বক মাটি কাটা হচ্ছে ফসলি জমির মাটি। এতে ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে অসহায় কৃষকরা। নদীর বাঁধ রক্ষা সহ ফসলি জমির ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে দ্রুত অবৈধ মাটি ব্যবসা বন্ধের দাবি স্থানীয়দের।
মেঠো পথ তৈরি করে মাটি বহন করছে একটি প্রভাবশালী মহল। কৃষি জমির বিনষ্টের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ বীড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি অভিযোগ করলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রতিনিয়ত ভেকুর সাহায্যে পুকুর বানানোর মতো করে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, অনুমতি বা অনুমোদন আছে কিনা এই প্রশ্ন জবাব না দিয়ে সবাই এলাকা ত্যাগ করে। অপরিকল্পিত মাটি কাটার কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা মতিউর বলেন, মাটি আনার জন্য রাস্তা করে, কৃষি জমি বিপন্ন করে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মাটি কাটায় এবং ড্রাম ট্র্যাক, ট্রলি চলাচলের কারণে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীরা। দ্রুত বিষয়টি নিয়ে করা পদক্ষেপে দাবি তোলা হয়েছে। প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খুলছে না কেউ। মাটি মাফিয়াদের কারণে সাহস করে কিছু বলতে পারছেন না। মূলত এই মাটি ইট ভাটায়, জায়গার ভরাট কাজে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে।
ভেড়ামারা উপজেলার সচেতন মহল জানান, সরকারি জায়গার মাটি দিনে রাতে পাচার করে দিচ্ছে একটি চক্র। এইসব মাটি ইটভাটায়, বসতবাড়ি ও ভরাট কাজে এইসব মাটি ব্যবহার হচ্ছে।
ভেড়ামারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার বলেন, আমি প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছি, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে জেল জরিমানা করছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এন/ এন
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৫:৩০ ৪৭ বার পঠিত | ● ভেড়ামারা ● মাটি . হরি লুট