ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
কুষ্টিয়া: ভেড়ামারা অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে নেই জ্বালানি। হঠাৎ করেই সরবরাহ সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক পাম্পের কার্যক্রম। তবে দু-একটি পাম্পে সীমিত পরিসরে তেল পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ লাইন। বুধবার (২৫ মার্চ) ভেড়ামারা বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছে শুধু একটু জ্বালানির আশায়।
ভোগান্তি পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কেউ অফিসগামী, কেউ জরুরি কাজে বের হয়ে পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে জ্বালানি তেলের বাড়তি চাহিদা ও সীমিত সরবরাহের কারণে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার আশ্বাস সত্ত্বেও বাস্তবে পাম্পগুলোতে তেলের জন্য এমন দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি এখনো কমেনি। ফলে প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে চালকদের সময় নষ্ট, যানজট এবং নানা ধরনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বুধবার সকাল থেকেই মেসার্স এম এ খালেক ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
অনেক পাম্পে তেল না পেয়ে চালকদের খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে। চালকদের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে তেলসংকট তৈরি হওয়ায় তাঁরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। তেলের জন্য তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
মেসার্স এম এ খালেক ফিলিং স্টেশনে এসে সাড়ে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল কিনতে পেরেছেন মোটরসাইকেল চালক মহন আলি। বলছিলেন, সকাল ৯টা থেকে অপেক্ষা করে দুপুর ১২টায় তেল পেয়েছেন। তাও আবার সীমিত পরিমাণে।
বেসরকারি কর্মী কবির হোসেন বলেন, সরকারের তেলের সমস্যা না থাকলে সব ফিলিং স্টেশনে কেন তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না? সব ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত না। মানুষ আতঙ্কে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনছে।
ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা: আমিরুল ইসলাম মান্নান বলেন, মোটরসাইকেল পর্যাপ্ত তেল থাকার পরও অনেকে তেল নিচ্ছে। এতে করে তেলের উপর চাপ এবং চাহিদা অনেকগুণ বেড়ে গেছে। সব পাম্পে যদি তেল দিতে পারতো তাহলে এই সমস্যার সৃষ্টি হত না।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:০৮:২৮ ১৪৩ বার পঠিত | ● তেল ● পাম্প ● ভেড়ামারা