ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ভোলা: চরফ্যাসনে দলিল ও নামজারী খতিয়ান টেম্পারিং করে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মিস কেইস আদালতে দাখিল করার দায়ে দুই ব্যাক্তিকে আটকের পর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ে মিস কেইস মোকদ্দমা চলকালীন সময় বিষয়টি নজরে এলে ওই দুই ব্যাক্তিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে বিকালে ভুক্তভোগী নারী রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে ওই দুই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। আটককৃতরা হলেন, শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন(৪৮) ও ওই গ্রামের মো. সামছল হক মাস্টারের ছেলে জুলফিকার(৫৯)।
ভুক্তভোগী নারী রাবেয়া খাতুন জানান, তার বাবা সফিক উল্লাহ ওই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের কাছে ৭৬৮ নং খতিয়ানে ৩৫৫৭ নং দাগসহ মোট ১ একর জমি বিক্রি করেন। এবং তার কাছে ৩৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে তিনি বসত বাড়ি ঘর নির্মান করে ভোগদখলে আছেন।সম্প্রতি সময়ে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন তার দাগ ভুক্ত ৩৫৫৭ নং দাগের জমিকে ৩৫৪৭ বসিয়ে টেম্পারিং করে ওই দাগভুক্ত জমি তাদের দাবী করেন। এবং দলিল ও খতিয়ানের কপি টেম্পারিং করে তার ভোগদখলীয় তাদের জমি তারা দাবী করেন।
পরে চলতি বছরে তিনি তাদের নামজারী মোকদ্দমা বাতিল চেয়ে ১১এফ/২৬ মোকদ্দমা দায়ের করেন। ওই মোকদ্দামা চলাকালীন সময়ে বিবাদী পক্ষ তাদের টেম্পারিং করা দলিল ও নামজারী খতিয়ান সহকারী কমিশনারের বিচারিক আদালতে দাখিল করেন। কয়েক মাস মোকদ্দামা চলার পর বিষয়টি বিচারক সহাকরী কমিশনার(ভূমি)’র নজরে আসে। পরে তিনি উভয় পক্ষের কাগজ পত্র যাচাই বাচাই করে প্রতিপক্ষের দলিল ও খতিয়ান টেম্পারিং করা প্রমানিত হয়। পরে আদলতে সঙ্গে প্রতারনার দায়ে তাদেরকে থানায় সোপর্দ করেন।
সহকারী কমিশানার(ভুমি) এমাদুল হোসেন জানান, আদালতে দাখিলকৃত দলিল ও খতিয়ান টেম্পারিং করে দাখিল করে আদালতের সাথে প্রতারনা করেছেন। তাদের দাখিল করা কাগজ গুলো ভুয়া প্রমানিত হওয়ায় তাদের আটক করা হয়। পরে বাদী পক্ষকে নিয়মিত মামলা দেয়ার পরামর্শ দিয়ে আটককৃত দুই ব্যাক্তিকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫১:৪৮ ৫ বার পঠিত | ● খতিয়ান ● চরফ্যাসন ● জালিয়াতি