ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
মানিকগঞ্জ: সিংগাইরে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে হুমায়ুন নামের এক আসামী পালিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ- গ্রামবাসীর ধস্তাধস্তিতে পলাতক আসামীর অন্ত:সত্বা স্ত্রী সালমা (২৪) গুরুতর আহত হয়েছে। পুলিশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে। এদিকে দুই পুলিশ আহত হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে, শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ধল্লা- লক্ষীপুর গ্রামে।
জানাগেছে, উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের মেদুলিয়া গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে সিংগাইর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ভোরের কাগজের সাংবাদিক মাসুম বাদশার উপর গত ১৫ এপ্রিল ধল্লা বাজারে হামলা হয়। এ ঘটনায় মাসুম বাদশাহ বাদী হয়ে ওইদিন গত রাতে সালাম ও হুমায়ুনসহ আরো ৮-১০ জনকে আসামী করে সিংগাইর থানায় মামলা দায়ের করেন। শনিবার দুপুরে সিংগাইর থানার এসআই পার্থ ঘোষ সঙ্গীয়ফোর্স নিয়ে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নে ধল্লা-লক্ষীপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র হুমায়ুনকে (৪০) বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন।
এ সময় আসামীর ভাই ইউপি সদস্য মিজান, হুমায়ুনের শ্যালক আমিনুরসহ গ্রামবাসীরা পুলিশের উপর হামলা করেন। এতে পুলিশ সদস্য মাহবুব হোসেন গুরুতর আহত হন। পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে আসামী ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী আরিফ (২৩) নামের এক যুবককে আটক করে। পরে সিংগাইর থানার পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। এরপর পুলিশ মামলার আরেক আসামী ওয়াজদ্দিনের বাড়িতে তাকে না পেয়ে তার মেয়ে সোনিয়াকে (২৩) আটক করে থানায় নেয়া হয়।এদিকে স্থানীয়রা আহত অন্ত:সত্বা সালমাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।পরে তাকে সাভারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবারের দাবী পুলিশ কাছ থেকে হ্যান্ডকাপ নিয়ে পালিয়ে যাওযার পর প্রতিবেশী আরিফকে গ্রেফতার করলে গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। এসআই পার্থর লাথিতে ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা সালমা গুরুতর আহত হয়।
হুমায়ুনের বোন সালেহা জাহান বলেন, আমার ভাইকে গ্রেফতার করে সাথে প্রতিবেশী নিরীহ আরিফকে গ্রেফতার করলে আমার ভাই মিজান মেম্বার জানতে চায় আরিফকে কি কারনে গ্রেফতার করেছেন। পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানের উপর হামলা করেন। পরে গ্রামবাসী পুলিশের উপর ক্ষোভে রাগে ধস্তাধস্তি করলে হুমায়ুন পালিয়ে যায়। এসময় এসআই পার্থ আমার ভাবিকে লাথি মারে।
এ ব্যাপারে এসআই পার্থ ঘোষ বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হুমায়ুনকে গ্রেফতার করতে গেলে তার ভাই মিজান মেম্বার, হুমায়ুনের শ্যালক আমিনুর ও আরিফসহ এলাকাবাসী আমাদের ওপর হামলা করেন। তাদের হামলায় কনস্টেবল মাহবুব হোসেন মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার ওসি জেওএম তৌফিক আজম জানান, পুলিশের ওপর আসামীর স্বজনরা হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মহিলাসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে। মুল আসামিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৩:২৪:৫৬ ১৬৩ বার পঠিত | ● আসামী ● পলায়ন ● সিংগাইর ● হ্যান্ডকাপ