ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ঢাকা:দোহারে জমি রেজিষ্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উৎসকর বাতিলের দাবিতে মানবববন্ধন করেছে দলিল লেখকরা ও সাধারণ আমজনতা।
সোমবার দুপুরে উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে দলিল লিখক সমিতির সদস্যবৃন্দরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তাদের সাথে একত্বতা প্রকাশ করেন সাধারণ জনগণ।
দলিল লিখক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি বাদশা মোল্লা বলেন, দোহার উপজেলায় প্রতি শতাংশ জমির উপর ধার্যকৃত বর্তমান অতিরিক্ত উৎস কর আদায় করা হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা অথবা প্রতি কাঠায় ধার্যকৃত অতিরিক্ত উৎসকর হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে দিন দিন দলিল সম্পাদনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় রাজস্ব হারাতে হচ্ছে সরকারকে।পাশাপাশি দলিল লিখকগন আগের মতো দলিল নিবন্ধন করতে পারছে না।
বর্তমানে দোহারে উৎসকর বেড়ে যাওয়ার তলানিতে ঠেকেছে জমি কেনাবেচার হার। এতে আয় রোজগার বন্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন দলিল লেখকরা। রেজিষ্ট্রি কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে অতিরিক্ত উৎসকর বাতিলের দাবি জানান তারা।
দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পদ্মা কলেজের ইংরেজি শিক্ষক মো.তারেক রাজিব বলেন, চলমান উৎস করের যাতাকলে পড়ে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারাও। এক্ষেত্রে দলিল লিখকগনদের আরও সচেতন হতে হবে। যাতে উৎসকরের নামে দলিল নিবন্ধন করতে আসা গ্রাহকগন প্রতারিত না হউন। এমন সিদ্ধান্তে গোটা উপজেলার আমজনতা ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সহযোগী সংগঠন মৎস্যজীবি দলের সভাপতি রমজান হোসেন মোল্লা বলেন, জমি কিনতে গিয়ে যদি রেজিষ্ট্রি ফি এতো বেশি দিতে হয়,তাহলে জমি কিনে কি করবো। তার থেকে এমনিতেই চলা ভালো। মরার উপরে খারার ঘা মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার আকলিমা ইয়াসমিন বলেন, উৎসকর আদায়ের কারনে সম্প্রতি দলিল সম্পাদনের পরিমান কমে গেছে বলে স্বীকার করেন। তবে অতিরিক্ত কোন টাকা আদায় করা হয় না। সরকারের আদেশ মোতাবেক যা ধার্য করা আছে তাই ব্যাংকের রশিদের মাধ্যমে আদায় করা হয়।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা দলিল লেখকগন ও উপজেলার সাধারণ জনগন।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:৩৫:৪৯ ১৬৮ বার পঠিত | ● জমি ● ঢাকা জেলা ● দোহার ● রেজিষ্ট্রেশন