ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন উলিপুরে ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোবিন্দাসী ৫ কোটি টাকার গরুর হাটের ইজারা মূল্য এখন অর্ধ কোটি! ভেড়ামারায় ‘ভূমি সেবা মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ষণের শিকার নারী টানা দ্বিতীয়বার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন খোকন কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » আঁধার ঘরে ক্ষুধা পেটে দিন কাটে বৃদ্ধ দম্পতির

আঁধার ঘরে ক্ষুধা পেটে দিন কাটে বৃদ্ধ দম্পতির


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫


আঁধার ঘরে ক্ষুধা পেটে দিন কাটে বৃদ্ধ দম্পতির

পটুয়াখালী: আঁধার ঘরে ক্ষুধা পেটে দিন কাটে বৃদ্ধ দম্পতির বিদ্যুৎবিহীন ঘরে বসে আছেন বৃদ্ধ দম্পতি। পটুয়াখালী সদরে সরকারি আবাসনের একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন মো. গনী জমাদ্দার (৭০) ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম (৫০)। ভরণপোষণে কেউ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন ও অসুস্থ এই বয়োবৃদ্ধ দম্পতি মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
উপজেলার ছোট বিঘাই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এই আবাসন প্রকল্পে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাবারহীন খালি পাতিল নিয়ে অন্ধকার ভাঙাচোরা ঘরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় বসে আছেন গনি জমাদ্দার ও তার স্ত্রী। প্রতিবেশীরা মাঝে মাঝে রান্না করা খাবার দিলে তবেই তাদের মুখে আহার জোটে, না হলে ক্ষুধা নিয়েই দিন কাটে। ঘরে নেই কোনো মালামাল,অল্পকিছু জিনিসপত্র রয়েছে ঘরের মেঝেতে।
গনি জমাদ্দার বলেন, ‘আমি আগে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতাম। কিন্তু নদীভাঙনে সবকিছু হারিয়ে সরকারি আবাসনে আশ্রয় নিতে হয়। এরপর থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছি, আর কাজে যেতে পারি না। এখন প্রতিবেশীর দেওয়া খাবারেই কোনোভাবে বেঁচে আছি। আমার মতো এমন অসহায় যেন আল্লাহ আর কাউকে না করে।’
তার স্ত্রী মমতাজ বেগম করুণ কণ্ঠে বলেন, ‘আমার স্বামী অসুস্থ, আমিও অসুস্থ। রান্নাবান্না করা সম্ভব হয় না। এত কষ্টের মধ্যে দিন কাটছে যে আল্লাহর কাছে শুধু বলি আমাদের কষ্ট শেষ করে নেন।’
জানা যায়, পরিবারটির একমাত্র মেয়ে বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে থাকেন। আর্থিক অনটনের কারণে তিনি মা-বাবাকে সহযোগিতা করতে পারেন না। যদিও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বয়স্ক ভাতা ও ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হয়েছে, তবে টাকার অভাবে ভিজিএফ চাল নিতে পারেন না তারা। অন্যদিকে তিন মাস অন্তর পাওয়া বয়স্ক ভাতার সামান্য অর্থ দিয়ে জীবনধারণ সম্ভব হচ্ছে না।
প্রতিবেশী সালমা বেগম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় অনেক গরীব পরিবার আছে, তবে এর মধ্যে সবচেয়ে অসহায় এই পরিবার। সরকারি আবাসনের একটি পরিত্যক্ত ঘরে বিদ্যুৎ ছাড়া জীবন কাটাচ্ছেন তারা। আগে বিদ্যুৎ ছিল, কিন্তু বিল পরিশোধ না করতে পারায় সংযোগ কেটে দিয়েছে বিদ্যুৎ অফিস।’
ইউপি সদস্য কাওছার আহমেদ বলেন, ‘সরকারি সহযোগিতা যতটুকু করা সম্ভব হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে এই পরিবারকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। তবে তারা এতটাই অসহায় যে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি।’

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ০:৫৯:১১   ৯৯ বার পঠিত  |         







বরিশাল থেকে আরও...


বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন
কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
কাউখালীতে মৎস্য চাষিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ



আর্কাইভ