ঢাকা    রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও নাজিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে এমপি সুলতানা জেসমিন জুইয়ের মতবিনিয় ভোলা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান লালমোহনে দেবরের মারধরে ভাবি আহত পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক পীরগঞ্জে এডিপি প্রকল্প হতে ২০৮ জন পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন কল্যাণমুখী রাজনীতি করে যাবো:ফজলুল হক মিলন এমপি সুজানগরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা লালমোহনে কলেজছাত্র হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রাজশাহী » চাটমোহরে আবারও ৩ সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদ করলো ইউএনও

চাটমোহরে আবারও ৩ সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদ করলো ইউএনও


শামীম হাসান মিলন,চাটমোহর (পাবনা )
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫


চাটমোহরে আবারও ৩ সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদ করলো ইউএনও

পাবনা: চাটমোহরে এবার তৃতীয়বারের মতো নদীতে দেওয়া সোঁতি বাঁধের স্থাপনা উচ্ছেদ করল উপজেলা প্রশাসন। এরআগে একই জায়গায় দেওয়া সোঁতি বাঁধের স্থাপনা উচ্ছেদের পরেও প্রশাসনকে উপেক্ষা করে আবারো সোঁতি বাঁধ স্থাপন করেন এলাকার স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী।সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার হান্ডিয়াল ও নিমাইচড়া ইউনিয়নের কাটাগাঙ ও ছাওয়ালদহ এলাকা থেকে সোঁতি বাঁধের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী।

জানা গেছে, প্রতিবছর বিল ও নদ-নদী থেকে বর্ষার পানি নামার সময় পানি প্রবাহের বাধা সৃষ্টি করে কথিত মৎস্যজীবিরা অবৈধ সোঁতি বাঁধ স্থাপন করে মাছ শিকার করে থাকে। যারা স্থানীয় প্রভাবশালী নামে পরিচিত। এতে নদী পাড়ে দেখা দেয় ধ্বস। সময়মতো পানি না নামার কারণে কৃষকরা ফসল লাগাতে পারেন না। শুধু তাই নয়, প্রকৃত দরিদ্র শ্রেণির মৎস্যজীবিরা মাছ ধরতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করেন। জীববৈচিত্র হুমকীল মুখে পড়ে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী সোঁতি বাঁধ স্থাপন না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু নিমাইচড়া ও হান্ডিয়াল এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী স্থানীয় লোকজন প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে সোঁতি বাঁধ স্থাপন করে মাছ শিকার করে।

এরপর ইউএনও সোঁতি বাঁধের স্থাপনা উচ্ছেদ করলে আবারো দেয় সেই প্রভাবশালীরা। সোমবার খবর পেয়ে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত আবারো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩টি সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদ করেন করেন ইউএনও মুসা নাসের চৌধুরী। এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আব্দুল মতিন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানাসহ পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদসর‌্যা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন। এ সময় সোঁতি বাঁধ স্থাপনকারীরা পালিয়ে যান।

ইউএনও মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, যে সোঁতি বাঁধের কারণে সাধারণ মানুষ, কৃষক, প্রকৃত জেলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়, আমি এই উপজেলাতে থাকা অবস্থায় কোনোভাবেই সেই সোঁতি বাঁধ স্থাপন করতে দেব না। ওরা যতোবার দেবে ততোবার কাটব। অভিযান অব্যাহত থাকবেও বলেও তিনি জানান।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৯:১৩   ১৬৬ বার পঠিত  |         







রাজশাহী থেকে আরও...


সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সুজানগরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
রামেক হাসপাতালে নতুন অধুনিক মেশিন সংযোজন
দূর্গাপুরে জমি নিয়ে বিরোধে আহত ১
গোদাগাড়ীতে ১ কেজি ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার



আর্কাইভ