ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন উলিপুরে ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোবিন্দাসী ৫ কোটি টাকার গরুর হাটের ইজারা মূল্য এখন অর্ধ কোটি! ভেড়ামারায় ‘ভূমি সেবা মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ষণের শিকার নারী টানা দ্বিতীয়বার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন খোকন কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » দুই শিক্ষক দিয়ে ১৬০জন শিক্ষার্থীর পাঠদান

দুই শিক্ষক দিয়ে ১৬০জন শিক্ষার্থীর পাঠদান


মাহাবুব আলম লিটন,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশ: সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫


দুই শিক্ষক দিয়ে ১৬০জন শিক্ষার্থীর পাঠদান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬০ জন শিক্ষার্থীদের বিপরীতে হেডমাস্টারসহ মাত্র দুজন শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকও প্রায় সময় অফিসিয়াল কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আসা যাওয়ার মাঝে ব্যস্ত থাকেন। ফলে একজন দিয়ে স্কুল চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিক্ষক সংকটে পাঠদান কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ সোমবার (১৩/১০)সরজমিন জানা যায়- সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এ সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য অন্তত ৬জন শিক্ষক থাকা প্রয়োজন। বর্তমানে ওই স্কুলে কর্মরত রয়েছেন চারজন শিক্ষক। একজন রয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে, আরেকজন শিক্ষক ইমরান হোসেন তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অফিস সহায়ক (কম্পিউটার অপারেটর) হিসেবে কাজ করছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মিন্টু মিয়া অফিসের প্রয়োজনে প্রায়ই উপজেলা শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। ফলে শিক্ষিকা সোনিয়া আক্তার একাই তিনটি শ্রেণির পাঠদান একটি রুমে এনে সামলাতে হচ্ছে। এতে শ্রেণিকক্ষের শৃঙ্খলা ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

এ নিয়ে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অভিযোগ করেছেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উদাসীনতার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিন্টু মিয়া বলেন- বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট এখন চরম পর্যায়ে। একদিকে শিক্ষক কম, অন্যদিকে বদলিকৃত শিক্ষক যোগদান করেও স্কুলে আসছেন না। অভিভাবক ও স্থানীয়দের চাপের মুখে আছি। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও কোন এর সমাধান পাচ্ছিনা।

অভিভাবক আব্দুল করিম বলেন,শিক্ষক সংকটের কারণে এতে আমাদের সন্তানদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, দ্রুত এই স্কুলের শিক্ষক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য গোলাম হোসেন বলেন-” মাত্র দুইজন শিক্ষক দিয়ে ১৬০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালানো অসম্ভব। একজন শিক্ষক অফিসে গেলে অন্যজনকে একাই সব শ্রেণির দায়িত্ব নিতে হয়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে”।

এ ব্যাপারে শিক্ষক ইমরান হোসেন বলেন- “আমি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশে অফিসে কাজ করছি”।

এ প্রসঙ্গে নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান- “উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জনবল সংকট রয়েছে। সেই কারণে সাময়িক ভাবে ঐ শিক্ষককে অফিসে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৪:৩৬   ২৮৩ বার পঠিত  |      







চট্রগ্রাম থেকে আরও...


দোহাজারী হাসপাতালে রেবিস ভ্যাকসিন সংকট
আনোয়ারা সার্কেলে নতুন এএসপি মাহমুদুল হাসানের যোগদান
নবীনগরে মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ
সভাপতি আনোয়ার ও সম্পাদক আফছার হাতিয়ায় সেন্টারবাজার বনিকি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন
দেড় মাস বষয়সে হামে কেড়ে নিল মিশকাতকের প্রান



আর্কাইভ