ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ফরিদপুর: অসহায় পিঠা বিক্রেতা রেহেনা বেগমের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সুমন রাফি নামের এক সমাজসেবী। পিঠা বিক্রেতা ওই নারীকে পিঠা তৈরির নানান উপকরণ কিনে দিয়েছেন তিনি। উপকরণের মধ্যে রয়েছে আতপ চাল ২০ কেজি, সিদ্ধ চাল ২০ কেজি, খেজুর গুড় ১০ কেজি, জ্বালানি কাঠ ৭ মন, এক কেজি শুকনো মরিচ, এক কেজি কালো জিরা, এক কেজি সরিষা ও খরিদদারদের বসার জন্য দুটি বেঞ্চ। উপজেলার সদর ইউনিয়নের চালিনগর গ্রামে অবস্থিত রেহেনা বেগমের অস্থায়ী পিঠার দোকানে তিনি এসব পৌঁছে দেন।
এসময় সুমন রাফি বলেন, রেহেনা বেগমের অসহায়ত্বের কথা জেনে তার জীবিকা ভালোভাবে নির্বাহের জন্য তাকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেই। প্রাথমিকভাবে তাকে কিছু সাহায্য করেছি। পরবর্তীতে তাকে একটি দোকানঘর করে দেব। উল্লেখ্য, ৪০ বছর বয়সী রেহেনা বেগমের কর্ম-অক্ষম স্বামী নিয়ে তার সংসার। স্বামী আত্তাব শেখ রোগাক্রান্ত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। এজন্য পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব এখন রেহেনার কাঁধে। অভাবের কারণে তের বছর বয়সী ছেলে তার নানী বাড়িতে থাকে। রাস্তার ধারে পিঠা বিক্রি করে অর্জিত আয় দিয়ে কোন রকমে দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থা করছেন।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের চালিনগর চৌরাস্তার এক কোণে তিনি প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করেন। রেহেনা বেগম জানান, স্বামীর দেড় শতক জমি আছে। কিন্তু তা পানির মধ্যে হওয়ায় বসবাসের অযোগ্য। বর্তমানে বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাহিদুল হক মন্টুর বাড়ির পাশে একটি কুঁড়েঘরে বসবাস করছেন। শীতকালে ওই গ্রামেই একটি দোকানের সামনে বসে বিকালে পিঠা বিক্রি করেন। প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করে গড়ে প্রায় দুইশ টাকার মতো লাভ থাকে, যা দিয়ে কোনরকমে সংসার চলে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:৪০:৫৪ ১০০ বার পঠিত | ● অসহায় ● পিঠা ● বিক্রেতা . বোয়ালমারী