ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ঢাকা: দোহারে ৯০ পিস ইয়াবাসহ আটক তিন আসামির মধ্যে একজনকে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য ফরিদ হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাহমুদপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে রুমা আক্তার, মৃদুল ও সজিব নামে তিনজনকে ৯০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জুবাইদুল ইসলাম। পরে তাদের ফাঁড়িতে নেওয়া হলে ইউপি সদস্য ফরিদ হোসেন সেখানে উপস্থিত হয়ে তদবির শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
একপর্যায়ে আটক সজিবকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তার মোটরসাইকেলটি ফরিদ হোসেন নিজেই চালিয়ে নিয়ে আসামীর বাড়ি নিয়ে যান বলে দাবি স্থানীয়দের।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য ফরিদ হোসেন বলেন,“আমি শুধু আসামিদের দেখতে গিয়েছিলাম। কোনো ধরনের তদবির করিনি।”
সূত্র জানায়, অভিযানের সময় তিনজনকে আটক করা হলেও পরবর্তীতে মামলায় সজিব ছাড়া বাকি দুই আসামির নাম উল্লেখ করা হয় এবং জব্দ দেখানো হয় ৫০ পিস ইয়াবা।
এ বিষয়ে মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই জুবাইল ইসলাম বলেন,“কোনো আসামিকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এবিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দীক জানান, বিষয়টি আমি অবগত নয়।অভিযোগের বিষয়ে ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাহমুদপুর ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এসআই জুবাইদুল বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে আসামি ছেড়ে দেন। তাদের দাবি, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর এক যুবকের বাড়িতে তল্লাশির নামে ২৪ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ভুল আসামি গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৭:৪১ ৯৮ বার পঠিত | ● দোহার ● পুলিশ ● ফাঁড়ি