ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
শিরোনাম
![]()
অঞ্চলভেদে ব্যাংকের শাখা বা অন্য ব্যবসাকেন্দ্রসহ স্থাপনা ভাড়ার সর্বোচ্চ একটি হার নির্ধারণ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের স্থাপনা ভাড়ার হার নির্ধারিত সীমায় মধ্যে থাকলে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে না। কোনো কারণে এর বেশি হলে অনুমতি নিতে হবে। অবশ্য স্থাপনার মালিক যদি ব্যাংকের পরিচালক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কেউ হন, সে ক্ষেত্রে ভাড়া যাই হোক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রতি বর্গফুটের সর্বোচ্চ ভাড়া হবে ১০৪ টাকা। ঢাকার ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় ২৮ টাকা ও পল্লি এলাকায় ২৪ টাকা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে প্রতি বর্গফুটের ভাড়া সর্বোচ্চ ৬১ টাকা। আর ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় ২৭ টাকা ও পল্লি এলাকায় সর্বোচ্চ ২০ টাকা। এভাবে ৮টি বিভাগীয় অঞ্চলে তিন ক্যাটেগরিতে ভাড়া বা ইজারার সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ভবন ও ফ্লোরের অবস্থান, স্থাপনামানের ভিন্নতা বিবেচনায় ভাড়ার হার সর্বোচ্চ সীমার মধ্যে যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এ বিষয়ে নিজ নিজ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে।ব্যাংকের ব্যবসাকেন্দ্রের সংখ্যা এবং ভাড়া চুক্তির মেয়াদপূর্তিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর উত্তরোত্তর বাড়ছে। এ রকম অবস্থায় ব্যবসাকেন্দ্র স্থাপন এবং স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাড়া বা ইজারা গ্রহণের অনুমোদন সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০:৫২:৩৬ ২৬৪ বার পঠিত | ● কেন্দ্রীয় ব্যাংক
----