ঢাকা    রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে প্রচারপত্র বিতরণ করবে বিএনপি পদ পেতে হবে তা নয়, দলের প্রত্যেকেই সরকারের অংশ: রিজভী মনপুরা উপজেলাকে আধুনিক পৌরসভায় উন্নীত করা হবে:নুরুল ইসলম নয়ন ভেড়ামারায় ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেড়ামারায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে নারী স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের মৃত্যু কয়রায় ইউরিয়া-টিএসপির সংকট, বিপাকে আমন চাষিরা লালমোহনে ৫ কোটি টাকার সাইক্লোন শেল্টার উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কাঁঠালিয়া প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন দোহারে নারিশায় বাড়তি দামে কৃষকের কাছে সার বিক্রির অভিযোগ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » কর্মশালায় তথ্য এসডিজি অর্জনে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন

কর্মশালায় তথ্য এসডিজি অর্জনে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬


কর্মশালায় তথ্য এসডিজি অর্জনে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে আরও অন্তত ৪২১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। সরকারি এসডিজি অর্থায়ন কৌশলগত পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার রাজধানীতে ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায়’ এই তথ্য জানানো হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এই কর্মশালাটির আয়োজন করে। এতে ডিএফএ এর খসড়া প্রতিবেদনের ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের হালনাগাদ এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের অবশিষ্ট সময়টি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। একদিকে অর্থায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে, অন্যদিকে হাতে সময় সীমিত। এছাড়া বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। তবে বাংলাদেশের পক্ষে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থবহ অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। এজন্য সুস্পষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমন্বিত উদ্যোগ এবং কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, বর্তমানে বিশ্বে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

কর্মশালার সভাপতি ও ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এ.এইচ.এম. জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিমূলক এই সময়ে একটি সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক অর্থায়ন পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বাস্তবতায় অর্থায়ন শুধু অধিক সম্পদ সংগ্রহের বিষয় নয়; বরং পরিকল্পনা প্রণয়নের শুরু থেকেই সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজকে সক্রিয় অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য।

কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান দেশের পরিবর্তিত অর্থায়ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন এবং সরকারি ও বেসরকারি উভয় উৎস থেকে অধিক অর্থায়ন নিশ্চিতকরণের সম্ভাব্য কৌশল তুলে ধরেন। ড. সেলিম রায়হান জানান, ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশের অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে। এ অর্থের সিংহভাগ দেশীয় সরকারি ও বেসরকারি অর্থায়ন, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।

ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনেল দয়াল বলেন, অর্থায়নের ঘাটতি পূরণে আরও কার্যকর অর্থায়ন নীতি এবং শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন। কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) এবং এসডিজি অর্থায়ন কৌশলটি চূড়ান্ত করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংকিং খাতের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এ কর্মশালায় অংশ নেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৬:৩০   ১২৪ বার পঠিত  |   







অর্থনীতি থেকে আরও...


বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক: বাণিজ্যমন্ত্রী
খেলাধুলাকে অর্থনীতির মূলধারায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০
নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি
১৬ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল



আর্কাইভ