ঢাকা    শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নবীগঞ্জ দুই শিক্ষক হত্যার ক্লু উদঘাটন নিয়ে তোলপাড় ! লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক কাউখালীতে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন খাদ্য গুদামের দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ চাটমোহরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তি আটক নবীগঞ্জে বালু মহালে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি,ম্যানেজারকে মারপিট মহম্মদপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু, মাঠে পড়েছিল মরদেহ সুজানগরের গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা ভূঞাপুর হাসপাতালে সঠিক সময়ে দেখা মিলছে না চিকিৎসক, রোগীদের অপেক্ষা তালতলীতে সেতু ভেঙে খালে, শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর ভরসা এখন নৌকা


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » ২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬


২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না মাছ ও ব্রয়লার মুরগি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকায় এবং গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকার আশপাশে। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়ায় লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়ছে চাপ। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে শুধুমাত্র গরুর মাংসের দাম।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল, পোয়ায় কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের মুরগি বিক্রেতা মনসুর আহমেদ বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই। গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় ব্রয়লার এবং ৩৩০ টাকায় সোনালি মুরগি বিক্রি করছি। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামে তেমন ওঠানামা নেই।

মোহাম্মদপুর টাউনহলের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। সেগুলোর দাম সব সময় বেশি। তবে পুকুরে চাষের মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, এ জন্য বিক্রিও বেশি দামে করতে হয়। মাছের দাম বাড়ার কারণে আমাদের পুঁজিও বেশি লাগতেছে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে তার প্রভাব নিম্ন আয়ের মানুষের উপরে সরাসরি পড়ে। আমরা তো দেশি মুরগি বা পাকিস্তানি সোনালি মুরগি কিনে খেতে পারবো না। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়া আমাদের ভরসা। সেখানে দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে।

বাংলাদেশ সময়: ২১:২৪:৫৮   ১১৮ বার পঠিত  |   







অর্থনীতি থেকে আরও...


বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক: বাণিজ্যমন্ত্রী
খেলাধুলাকে অর্থনীতির মূলধারায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০
নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি
১৬ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল



আর্কাইভ