ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ঢাকা: দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের ইমামনগর এলাকায় আবারও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন-নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের উজ্জল হোসেন(৩৪)।
বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের ইমামনগর গ্রামে ফসলি জমি থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে উজ্জল হোসেন। এ সময়ে একাধিক মাহেন্দ্র গাড়িতে টপ সয়েল ভরে মাঝিকান্দা ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। উপস্থিত উজ্জল হোসেন ভেকু দিয়ে কাটা ফসলি জমির মাটি খনন করে গাড়িতে ভরছে।
সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্তেও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ফসলি জমির মাটি কাটা সম্পুর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাছাড়া কোনো ভাবেই ফসলি জমির শ্রেণী পরিবর্তণ করা যাবে না।
এ বিষয়ে উজ্জল হোসেন জানান, দোহারের ডি,এস সুরুজ, জুয়েল দেওয়ান ও জাহাঙ্গির সরদারের মাধ্যমে ভেকু দিয়ে মাটি কাটছেন বলে তিনি জানান। উজ্জল হোসেন নিজেকে দোহারের সাংবাদিক সোহেল রানার আত্মীয় পরিচয় দিয়ে বলেন, সে আপনাদের সাথে কথা বলবে।
মাটি কাটার বিষয়ে প্রশাসনের অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে উজ্জল আবারও বলেন, এটি আমার জানা ছিলো না। আগামীকাল সাংবাদিক সোহেল রানাকে নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করবো।
এ বিষয়ে সংবাদিক পরিচয়ধারী সোহেল রানা বলেন, আমার নিকটতম আত্মীয় উজ্জল হোসেন এটা সঠিক।তবে আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা এবং উজ্জল হোসেন আমাকে এই ব্যাপারে কিছুই বলেনি।
বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তাৎক্ষনিক দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক একটি টহল টিম নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিতি হয়ে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটা আপাতত বন্ধ করে ভেকু সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তদের সতর্ক করা হয়েছে। পুনরায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ফসলি জমির মাটি কাটলে ঘটনার সাথে জরিতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) তাসফিক সিবগাত উল্লাহ জানান, সংবাদ পেয়ে মাটি কাটার সকল কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২২:১৯:৪৭ ৭৫ বার পঠিত | ● জমি ● দোহার ● ফসলী ● মাটি