ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » ন্যায্য দাম ও সংরক্ষণ সংকটে বিপাকে আলু চাষিরা

ন্যায্য দাম ও সংরক্ষণ সংকটে বিপাকে আলু চাষিরা


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬


 ন্যায্য দাম ও সংরক্ষণ সংকটে বিপাকে আলু চাষিরা

পটুয়াখালী: গলাচিপায় ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে দিন দিন কমে যাচ্ছে আলু চাষের পরিমাণ। একসময়ের সম্ভাবনাময় এই ফসল এখন লোকসানের আশঙ্কায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন চাষিরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে এই উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৩৬০ হেক্টরে। আর চলতি ২০২৬ সালে মাত্র ২৬০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। যদিও এ বছর ৩৬৫ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, গলাচিপা উপজেলার মাটি ও ভৌগোলিক অবস্থান আলু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। চাষিদের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে সার, বীজ ও শ্রমিক বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ বাজারদর অনুযায়ী প্রতি বিঘার আলু বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। এতে প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলায় কোনো হিমাগার না থাকায় আলু সংরক্ষণে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাইকারি ক্রেতারাও এলাকায় তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না।
স্থানীয় কৃষক মোঃ মিলন হাওলাদার বলেন, এইভাবে লোকসান হলে ভবিষ্যতে আর আলু চাষ করা সম্ভব হবে না। আমরা ন্যায্য দাম চাই এবং আলু সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার চাই।
কৃষি অফিস জানায়, ১৯৮০ সালের শুরু থেকেই এ উপজেলায় আলুর আবাদ শুরু হয়। ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পাওয়ায় তখন কৃষকদের মধ্যে আলু চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দেয়। উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাদনগর, বোয়ালিয়া ও চরখালী গ্রামে সবচেয়ে বেশি আলুর আবাদ হয়ে থাকে। প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২৫ টন আলু উৎপাদন হলেও সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় কৃষকরা উৎপাদিত আলু ধরে রাখতে পারছেন না।
উপজেলা কৃষি অফিসার আরজু আক্তার জানান, দ্রুত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে আলু চাষে আগ্রহ আরও কমে যেতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এন/এন

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫২:১২   ১৫১ বার পঠিত  |   







বরিশাল থেকে আরও...


চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ
পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা
কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক
পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত



আর্কাইভ