ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে মুগডাল, দিশেহারা কৃষক

পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে মুগডাল, দিশেহারা কৃষক


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬


পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিতে পানির নিচে মুগডাল, দিশেহারা কৃষক
পটুয়াখালী: কালবৈশাখী ঝড় আর টানা ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখন পানির নিচে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাভজনক ফসল হিসেবে পরিচিত মুগডাল। বাম্পার ফলনের আশা নিয়ে যারা এ মৌসুমে মাঠে নেমেছিলেন। সেই হাজারো কৃষক এখন বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কায় দিশেহারা।
জেলার আটটি উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে থাকায় মাঠের পর মাঠ মুগডাল ক্ষেত তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে মরিচ, চিনাবাদাম, আলুসহ অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেতেই গাছের গোড়া পচে যাওয়ায় ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম এ মৌসুমে এক একরের বেশি জমিতে মুগডাল আবাদ করেছিলেন। শুরু থেকেই ফলনের অবস্থা ছিল আশানুরূপ। কিন্তু হঠাৎ টানা বৃষ্টিতে তার পুরো ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যায়। কৃষক মনিরুল জানান, ‘অনেক আশা কইরা মুগডাল লাগাইছিলাম। ফলনও ভালো আছিল। কিন্তু এই বৃষ্টিতে সব শেষ হইয়া গেছে। এখন খরচও উঠবে না, কী করমু বুঝতেছি না।’
একই চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও। বাউফল উপজেলার কৃষক আব্দুল করিম জানান, পানি জমে থাকার কারণে ডাল গাছ পচে যাচ্ছে। দ্রুত না কাটলে পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। দুমকি উপজেলার কৃষক শাহীন হাওলাদার জানান, আধা-পাকা ডাল কেটে তুলতে বাধ্য হচ্ছি। এতে ফলন কম হচ্ছে, দামও ঠিকমতো পাওয়া যাবে না। কৃষকদের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রণোদনা না দিলে অনেকেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পটুয়াখালীতে ৮৬ হাজার ২শ’ ১৬ হেক্টর জমিতে মুগডালের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫২ হাজার হেক্টর জমির ফসল বর্তমানে ক্ষতির মুখে রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে নিচু জমিতে পানি জমে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করছি। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে এলে কিছু ফসল আংশিকভাবে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে মাঠে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন কৃষকরা। বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুণছেন তারা। কারণ এই ফসলের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে তাদের সংসার, ঋণ শোধ আর আগামী দিনের বেঁচে থাকার লড়াই।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৮:২৫   ১৩২ বার পঠিত  |      







বরিশাল থেকে আরও...


চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ
পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা
কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক
পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত



আর্কাইভ