ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ভোলা: চরফ্যাসনের ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় পরিক্ষার কেন্দ্রে এইচএসসি আইসটি বিষয় পরিক্ষায় নকল করতে না পেরে পরিক্ষার কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে কলেজ ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি ও একাধিক শিক্ষক ও পথচারী আহত হয়েছেন। তবে কোন শিক্ষার্থী হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে চরফ্যাসন থানার পুলিশ টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসংবাদ লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে থানা সুত্রে জানা গেছে। এদিকে ঘটনার পর পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমনা আফরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার দুপুরে পরিক্ষা শেষে জোটবদ্ধ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে কলেজ গেইট ও কলেজের অফিস কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।
জানাযায়, চরফ্যাসন সরকারী কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচ এসসি আইসিটি বিষয়ে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেন। নিদিষ্ট সময়ে পরিক্ষা শুরু হয়। প্রশ্ন পত্র কক্ষে পৌছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন কমন না পাড়ায় তারা উত্তেজিত হয়ে উঠেন। ওই উত্তেজনা পুরো কলেজ ছড়িয়ে পরে। পরে কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারভাইজার ও ইউএনওর প্রতিনিধি কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরিক্ষা সম্পন্ন করেন।
কেন্দ্র সচিব ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু জানান, চরফ্যাসন সরকারী কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচ এসসি আইসিটি বিষয়ে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেন। ওই কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার আওয়াতায় আছে তবুও তারা কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরিক্ষার শুরু করেন। প্রশ্ন পত্র কক্ষে পৌছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের কিছু শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলা শুরু করলে আমি এবং হল সুপার সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও ইউএনওর প্রতিনিধি সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন কঠোর ভাবে পরিক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করেন। এতে অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়।পরে পরিক্ষা শেষে তারা একত্রিত হয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের বাহিরে গিয়ে মিছিল দিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে কলেজ গেইট ভাঙচুর করে ভিতরে ঢুকে কলেজ ক্যাম্পাসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে ক্যাম্পাসে ঢুকে অফিস কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে খবর দিলে থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
ইউএনওর প্রতিনিধি সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন জানান, কঠোর ভাবে পরিক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করেন। এতে অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পরিক্ষার কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেন। পরে পুলিশ এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর তারা উত্তর পত্র হেফাজত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জিম্মায় দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমনা আফরোজ জানান, তৎক্ষনিক তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থতি শান্ত রয়েছে। বড় রকমের কোন অনাক্ষাক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫৮:২৮ ১৩ বার পঠিত | ● কেন্দ্র ● চরফ্যাসন ● পরিক্ষার ● ভাঙচুর ● হামলা