ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
পটুয়াখালী: জেলার দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারের অভিযোগে আট জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌপুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানে সাড়ে তিন হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও তিনটি ট্রলার জব্দ করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। রাতে তাঁদের সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আটক জেলেদের মধ্যে ভোলার চরফ্যাশন ও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বাসিন্দা রয়েছেন। অভিযোগ, তাঁরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে প্রবেশ করে মা ইলিশ শিকার করছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন গলাচিপা উপজেলার ছোট শিবা গ্রামের লিটন জোমাদ্দার (৪০), দিরীপ রানা (৪৫), নিরব (২৮), রাব্বি হাওলাদার (২২), রাসেল (২৭) ও বাবুল হোসেন (৩৮)। অন্য দুজন হলেন চরফ্যাশনের লালপাতা গ্রামের রাজ্জাক কাজী (৫০) ও জসিম হাওলাদার (৪৫)।
আটকের পর তাঁদের দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযানে জব্দ করা কারেন্ট জাল হাজিরহাট এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর তীরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফেরদাউস এবং পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার রহমাতুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা যৌথ অভিযানে অংশ নেন।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞার সময় তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পাশের দুই উপজেলার আট জেলেকে আটক করা হয়। তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪৭:১৬ ২৮ বার পঠিত | ● অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ● তেঁতুলিয়া নদী ● দশমিনায় মা ইলিশ শিকার ● ৮ জেলের কারাদণ্ড