ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামের সোহেল মিয়া ও ঢাকা গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকার রাজাবাড়ি গ্রামের সেন্টু মিয়া এই দুজনের রাজাবাড়ি বাজারে ড্রাম ট্রাক পরিবহনের একটি যৌথ একটি ব্যাবস্যা রয়েছে। দুই শিয়ারে ষাট লক্ষ টাকার এই ব্যবসার হিসাব পত্র না বুঝিয়ে পার্টনার সেন্টু মিয়া ও মধ্যস্থতাকারী আশরাফ কাজী টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন করেন সোহেল মিয়া।
মডেল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে সোহেল অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার কোনাবাড়ির এলাকার রাজাবাড়ি বাজারে সেন্টু মিয়ার সাথে যৌথভাবে ড্রাম ট্রাকের পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন।
গত জানুয়ারি মাস থেকে সেন্টু মিয়া ব্যবস্যা একক দখলে নিয়ে হিসাব পত্র না বুঝিয়ে তাকে বের করে দেয়। পরবর্তীতে ওই বাজার এক ব্যবসায়ি নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের ভদ্রগাছা গ্রামের ওবায়দুল কাজির মধ্যস্থতায় ব্যবসা থেকে সোহেল মিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার লক্ষ্যে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা সেন্টু মিয়া দিয়ে দিবে বলে সামাজিক ফয়সালা হয়। তাৎক্ষণিক সেন্টু মিয়া রায় তামিল করে এক লক্ষ টাকা ওবায়দুল কাজীর হাতে দেয়।
সোহেল বলেন,দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও তামিলের এক লক্ষ টাকাসহ সাড়ে সাত লাখ টাকা এখনো তাকে দিচ্ছে না। টাকা চাইলে সেন্টু ও ওবায়দুল কাজী তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। প্রানের ভয়ে সোহেল মিয়া তার আরেকটি আলাদা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাম মায়ের দোয়া টায়ার হাউজের দোকানেও এখন বসতে পারছেন না। দোকান বন্ধ করে জীবনের নিরাপত্তায় গ্রামের বাড়ি কাইতলায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন । তিনি আইনের আশ্রয় নিবেন জানিয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান।
এ ব্যাপারে মধ্যস্থতাকারী আশরাফ কাজী ও সেন্টু মিয়ার মোবাইল নাম্বারে বার বার রিং করেও তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি , খুঁদে বার্তা পাঠালেও কোন জবাব দেননি ।
এইচ/এল
বাংলাদেশ সময়: ২০:০৩:৫৬ ২০২ বার পঠিত | ● আত্মসাৎ ● টাকা ● নবীনগর ● ব্রাহ্মণবাড়িয়া