ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ঢাকা » প্রতিবন্ধী যুবক আবুল হোসেন পেলো কর্মসংস্থান

প্রতিবন্ধী যুবক আবুল হোসেন পেলো কর্মসংস্থান


মুকুল কুমার বসু ,বোয়ালমারী( ফরিদপুর )
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫


প্রতিবন্ধী যুবক আবুল হোসেন পেলো কর্মসংস্থান

ফরিদপুর: মো. আবুল হোসেনের বয়স যখন এক বছর তখন সে প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়। অনেকদিনের চিকিৎসার পরে জ্বর থেকে মুক্তি মিললেও ঠেকানো যায়নি তার শারীরিক প্রতিবন্ধীতা। চাহিদা সম্পন্ন যুবক আবুল হোসেনের উচ্চতা দেড় ফুটের বেশি না। তার দুই হাত আর দুই পা রোগে সরু হয়ে গেছে। হাত-পায়ে জোর নেই। কোন কাজ করতে পারে না। ধারণা করা হয় যথাযথ চিকিৎসা না হওয়ায় ওষুধের প্রভাব কিংবা রোগের তীব্রতার কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে শারীরিক প্রতিবন্ধীতা দেখা দিয়েছে।

সঙ্গত কারণেই শিক্ষার্জনও সম্ভব হয়নি। এরপর কেটে গেছে আরো ৩৪ বছর। হতাশা, যন্ত্রণা আর সংগ্রামকে সাথী করে দীর্ঘ এ সময়ে প্রাণান্ত চেষ্টা চলেছে প্রতিবন্ধীতাকে জয় করার। মো. আবুল হোসেনের বয়স এখন ৩৫ বছর। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা ঘোষপুর ইউনিয়নের ভাড়ালিয়ারচর গ্রামে। বাবা ছত্তার বিশ্বাস এখন বেঁচে নেই। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবুল হোসেন ছোট। বড় ভাই তার সংসার নিয়ে পৃথক থাকেন। মাকে নিয়ে আবুল হোসেনের কষ্টের সংসার। আবুল হোসেনের উপার্জনেই চলে টানাটানির সংসার।

উপার্জন বলতে সমাজের বিত্তশালীদের সহযোগিতা নিয়ে কোন রকম একটা ঘরে টিকে থাকা আর কি! শারীরিক প্রতিবন্ধীতার কারণে সম্মানজনক কোন পেশায় থেকে জীবিকার্জনেরও নেই কোন সুযোগ। তারপরও সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার তাগিদে একটা পর্যায়ে গত এক বছর ধরে দুধের ব্যবসা করছেন। একটা ভ্যান ভাড়া করে ভ্যানের উপর আবুল হোসেন বসে থাকে আর ভ্যানওয়ালা দুধ বিক্রি করে টাকা তাকে (আবুল হোসেন) বুঝিয়ে দেয়। দুধ কিনে দুধ বিক্রি করে যা লাভ হয় তা থেকে ভ্যানওয়ালাকে ভ্যান ভাড়া দিতে হয়।

এরপর যা থাকে তা দিয়ে চলে মা-ছেলের অভাবের সংসার। বিষয়টি জানতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন এলাকায় মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত রক্তযোদ্ধা সুমন রাফি। তিনি আবুল হোসেনের বাড়ি গিয়ে ৮০ কেজি দুধ এবং দুধ বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি (কলসি, দুধ ঢালার ফানেল ইত্যাদি) কিনে দেন।

আবুল হোসেন বলেন, ৮০ কেজি দুধের টাকা দিয়েছে সুমন রাফি ভাই। আশা করছি, এখন দুধ বিক্রির লাভের টাকায় সম্মানজনকভাবে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবো। এ ব্যাপারে সুমন রাফি বলেন, বিভিন্ন লোকমুখে আবুল হোসেনের খবর পেলে আমি তার বাড়ি ছুটে যাই। তার অসহায় অবস্থা দেখে তার কর্মসংস্থানের জন্য তাকে আমি ৮০ কেজি দুধ ও দুধ বিক্রির সরঞ্জামাদির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়েছি। এতে তার আর্থিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:১৩:১৫   ২৮৩ বার পঠিত  |         







ঢাকা থেকে আরও...


কারাগার থেকে পালানো ৬৯০ বন্দি এখনও পলাতক, তথ্য নেই ১৬৬ জনের
গাড়ির পেছনে তরুণী, থানার সামনে যুবকের গুলিবর্ষণের ভিডিও ভাইরাল
ভূঞাপুরে বিলুপ্ত প্রায় বেহুলার পালা অনুষ্ঠিত
সিংগাইরে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড দেয়ার নামে ঘুষ গ্রহন
সিংগাইরে মাদক ব্যবসায়ীদের হুমকির প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন



আর্কাইভ