ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন উলিপুরে ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোবিন্দাসী ৫ কোটি টাকার গরুর হাটের ইজারা মূল্য এখন অর্ধ কোটি! ভেড়ামারায় ‘ভূমি সেবা মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ষণের শিকার নারী টানা দ্বিতীয়বার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন খোকন কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » বরগুনা ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ,শয্যা সংকটে মেঝেতে চিকিৎসা সেবা

বরগুনা ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ,শয্যা সংকটে মেঝেতে চিকিৎসা সেবা


জাকির হোসেন,আমতলী (বরগুনা)
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫


বরগুনা ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ,শয্যা সংকটে মেঝেতে চিকিৎসা সেবা

বরিশাল:বরগুনা সদর উপজেলায় প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। ২৫০ শয়্যার হাসপাতালের বেডে ঠাঁই না পেয়ে রোগীর এখন ঠাঁই নিয়েছে মেঝে। রোগী সামলাতে স্বল্প সংখ্যক চিকিৎসক এবং নার্সরা হিমসিম খাচ্ছেন। ভর্তি হওয়া রোগীদের খাবার না পাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। হঠাৎ করে ব্যাপক হারে ডেঙ্গুর আক্রমন বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সরেজমিনে পরিদর্শনের কাজ শুরু করেছে আইইডিসিআরের ৬ সসস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় শুধু বরগুনা হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫২ জন। জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০ জন। বর্তমানে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ২৩২ জন রোগী। এবছর এখন পর্যন্ত বরগুনার বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ৪৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এ জেলার আরও ১২ জনের মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু ১৭ জনের।

ডেঙ্গু ওয়ার্ডে পা ফেলার জায়গা নেই বুধবার দুপুর পৌনে ১২ টায় ২৫০ শয়্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ছয়তলার ডেঙ্গু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, পুরো ছয় তলার ফ্লোরে রোগী এবং স্বজনের ভারে লোকে লোকারন্য। লিফট থেকে শুরু করে ওয়ার্ড, মেঝ, সিঁড়ির করিডোর, নার্সদের জায়গা সবই লোকের সাড়ি। লোকের ভারে মাঝখান দিয়ে হাটার পথও যেন বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক নারী রোগীর সাথে রয়েছে তাদের কোলের দুরবতী ছোট ছোট ছেলে মেয়ে তারাও ঠাঁই নিয়েছে হাসপাতালে মায়ের সাথে। এর পর রয়েছে রোগীর কাপড় চোপর সহ খাওয়া দাওয়ার থালাবাটি। রুম পেরিয়ে বারান্দায় নামলেই চোখে পরে নারী পুরুষ এক সাথে বিছানা করে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।

ডেঙ্গু রোগীর পরিস্থিতি জানার জন্য নিয়মিত রক্তের প্লাটিলেট পরিমাপ করে দেখতে হয়। কিন্তু বরগুনা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় রোগীকে বাইরের ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার জন্য ছোটাছুটি করতে হয়। এভাবে রোগীদের ছোটাছুটি করতে অনেক রোগী রোগের ছেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে পরেন বলে অভিযোগ করেন ভর্তি হওয়া মুছা সল্লিক, নাসির হাওলাদার, পিংকীরানী দাস, হিরন পাহলান ও সোহাগ নামে কয়েকজন রোগী। তারা বলেন, পরীক্ষা করাতে হাসপাতালের বাইওে যেতে হয়। এতে আমাদেও ভোগান্তি চরম আকার ধারন করছে। তারা আরো বলেন, রোগী হয়েওে এভাবে ছোটছুটি করতে গিয়ে আরো আমরা ক্লান্ত হয়ে পরছি।

হাসপাতালে ভর্থি হলেও সব রোগী খাবার পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন রোগীরা। তারা বলেন, ৪-৫ দিন আগে ভর্তি হলেও এখন পর্যন্ত কোন না পাওয়ায় হোটেল থেকে খাবার এন খাচ্ছি।
সোনাখালী গ্রামের শাহিন খান বলেন, ১৫ তারিখ রবিবার সকালে ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছি আজ বুধবার পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে কোন খাবার পাইনি। একই কথা বলেন,পিংকি রানী, দ্বীপ্ত, হিরন পাহলান,সোহাগ, ইদ্রিস হাওলাদারসহ অনেক রোগী। বরগুনা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রেজাওয়ানুর রহমান বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে বেশী রোগী ভর্তি থাকলে সবাইকে খাবার দেওয়াও আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
হাসপাতালে শত শত রোগী এবং তাদেও স্বনরা থাকলেও অধিকাংশ রোগী মশারি ব্যবহার করছেন না। হাসপাতালে অনুসন্ধান কালে দেখা গেছে রোগীদেও সাথে এবং হাসপাতাল থেকে কিছু পরিমান মশারি দেওয়া হলেও তা মাথার সামনে ভাজ করে রাখতে দেখা গেছে। ২নং ওয়ার্ডে কিছু রোগী মশারি ব্যবহার করলেও তিন চার ও পাঁচ নম্বও রুমে কোন মশারি টানাতে দেখা যায়নি।

মালা নামে এক রোগী বলেন, একটি রুমে ৩০-৪০ জন রোগী থাকায় মশারি টানানোর মত অবস্থা নেই। রুমের বাইরের বারান্দায় এবং শিড়ির গোড়ায় অবস্থান করা রোগীদেও নিকট মশারি না টানানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, এখানে মশারি টানানোর মত কোন ব্যবস্থা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাখেনি।

হাসপাতালে আসা রোগীদেও নানা ভাবে সহায়তা করছেন প্রায় ১শ’ যুব রেড ক্রিসিন্টে কর্মীরা। তারা পালা ক্রমে ১০-১২ জনের একটি টিম সকাল ৮ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি দল এবং দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন আনেকটি দল। দলের প্রধান তুম্পা জান্নাত বলেন, হাসপাতালে আসা রোগীদেও ভর্তিতে সহায়তা, হাসপাতাল কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা এবং সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমরা কাজ করছি।
ডেঙ্গুর হটষ্পট
বরগুনায় ডেঙ্গুর হটস্পট বলে পরিচিত গৌরিচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলা, খেজুরতলা ও পৌরসভার চরপাড়া এলাকা। বুধবার দুপুরে এসব এলাকা ঘুওে দেখা গেছে, এখনো বাসাবাড়ির আশপাশজুরে রয়েছে ময়লা আবর্জনা আর জলাবদ্ধতায় ভরা। লাকুরতলা এলাকার মো. মুহিত নামে একজন বাসিন্দা জানান, এই এলাকার ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগ ছড়িয়ে পরেছে। তিনি আরো বলেন,৬-৭দিন আগে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ওষুধ ছিটানো হলেও তা কোন কাজে আসছে না। তাছাড়া এলাকাটি নীচু হওয়ায় এখানে সবসময় জলাবদ্ধতা লেগে থাকে।
লাকুরতলা এলাকার বাসিন্দা দিলিপ চন্দ্র হওলাদার বলেন, প্রায় ঘরেই এখন ডেঙ্গু রোগী আছে। আমার ছেলে দ্বীপ্ত হাওলাদারও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি সরকারী উদ্যোগে মশা নিধনের জন্য ওষুধ ছিটানোর দাবী জানান।
বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করার পর তা মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংগঠনগুলো এগিয়ে আসছে। এর মধ্যে এনএসএস (নজরুল স্মৃতি সংসদ) ও জাগোনারী নামে দুটো এনজিও সোমবার সকালে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মো. আবুল ফাত্তাহর নিকট ১হাজার ২শ’ ব্যাগ (১০০০মি.গ্রা.) আইভি স্যলাইন প্রদান করেছে।
এনএনএস এর নির্বাহী পরিচালক শাহাবুদ্দিন পাননা জানান, স্টার্ট ফান্ডের সহযোগিতায় এনএসএস (নজরুল স্মৃতি সংসদ) ও জাগোনারী ডেঙ্গু আইট ব্রেক ইন বরগুনা নামে ৪৫ দিন মেয়াদি একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বরগুনা হাসপাতালে ৪ হাজার আইভি স্যালাইন প্রদান, বিনা মূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য চাহিদা অনুযায়ী কিট, ওষুধ,দরিদ্র রোগীদের অর্থিক সহযোগিদতা প্রদান, হাসপাতালে অস্থায়ী শয্যা, আগত রোগীদের ও গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মাঝে মশারি প্রদান, হাসপাতাল, পৌর শহর ও গ্রামে পরিস্কার পরিছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।
গত ১৫ জুন রবিবার আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন পিএইচডি স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৬ সদস্যের টিম গঠন করে বরগুনায় আসার নির্দেশ দেয়া হয়।
ডেঙ্গুর কারন অনুসন্ধানে আইইডিসিআরের প্রতিনিধি দল বরগুনায়
বরগুনায় মহামারি আকারে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পরার কারন অনুসন্ধানে আইইডিসিআরআর একটি তদন্ত দল গঠন করেছে। দলটি এখন বরগুনার মাঠ পয়ায়ে কাজ করছেন। দলের সদস্যরা হলেন- আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. রত্না দাস, এফইটিপিবি ফেলো (এ্যাডভান্সড-১০ম কোহোর্ট) ডা. মো. তারিকুল ইসলাম লিমন, এফইটিপিবি ফেলো (এ্যাডভান্সড-১১তম কোহোর্ট) ডা. মোস্তফা নাহিয়ান হাবিব, কীটতত্ত্ববিদ মো. মোজাম্মেল হক, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট মো. আজিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য সহকারী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সোম ও মঙ্গলবার ও বুধবার আইইডিসিআরের দলটি দিনব্যাপী বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি এবং আক্রান্ত রোগীদের বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করেন তারা।
অনুসন্ধানকারী প্রতিনিধি দলের দলনেতা এফইটিপিবি ফেলো (এ্যাডভান্সড-১০ম কোহোর্ট) ডা. মো. তারিকুল ইসলাম লিমন বলেন, আমরা মনে করি অপরিষ্কার পানিতে ডেঙ্গু বেশি হয়। তবে তা নয় পরিষ্কার জমা পানিতে অর্থাৎ বৃষ্টির সময়ে ডাবের খোসা, টায়ার, ফুলের টবসহ বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে যায়। এ সমস্ত জায়গায় ডেঙ্গুর বিস্তার লাভ করে। আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে যাতে এই সমস্ত জায়গায় পানি জমে না থাকে। আশা করি সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, বুধবার আমি লাকুরতলা, পৌরসভার চার, পাঁচ, সাত নম্বও ওয়ার্ড পরিদর্শন করে সেখানে প্রচুর পরিমান এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে।

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. রত্না দাস বলেন, ৬জনের দলটি তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে আমরা ডেঙ্গুর কারন অনুসন্ধানে সোমবার থেকে মাঠ পরিদর্শন শুরু করেছি। বুধবার সকালে আমরা শহরের ভিভিন্ন ক্লিনিক এবং দোকান ও বাসাবাড়ি পরিদর্শন করি। বাসার বিভিন্ন পাথে জমে থাকা পানিতে প্রচুর পরিমানে এডিস মশার লার্ভা দেখতে পাই। এই লার্ভা কমানো না গেলে বরগুনায় ডেঙ্গু কমানো সম্ভব না।

তিনি আরো বলেন, বর্ষার সময় বিভিন্ন জায়গায় জমা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হয়। অন্য জায়গার তুলনায় বরগুনায় কি কারণে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি এবং কোথায় জমা পানি কি অবস্থায় রয়েছে তা অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এসেছি। এর পাশাপাশি আমরা একটি সার্ভের কাজও করবো।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন, সিভিলসার্জন, সাংবাদিকসহ অনেকের সঙ্গেই আমরা বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছি। বরগুনায় কি কারণে এত বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তার অনুসন্ধানী কার্যক্রম ও চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আশা করি সকলের প্রচেষ্টায় আমরা এ ডেঙ্গুর প্রকোপ কমিয়ে আনতে পারবো। তিনি বলেন, বুধবার আমারা শহরের অনেক বাসা বাড়ি পরিদর্শন করে সেখানে এডিশ মশার লার্ভার সন্ধান পেয়েছি। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন জমা দিতে ৭-৮ দিন সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, বরগুনায় গত ৩ মাস ধরে ডেঙ্গু আক্রমনের শুরু হয়েছে। এই মুহুতে বরগুনায় মহামারি আকারে ডেঙ্গু শুরু হয়েছে। এখানে ডাক্তার এবং চিকিৎসক সংকট ছিল। বর্তমানে ১০জন নার্স এবং ১০জন চিকিৎসক পেয়েছি এখন আশা করি সে সমস্য নেই।

তিনি আরো বলেন, এখানকার মানুষ সচেতন না হলে কোন ক্রমেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ববনা। হাসপাতালে আসা রোগীরাও মশারি ব্যবহার করছে না। ফলে একজন আক্রান্ত রোগী থেকে অন্য স্বজনরাও আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা মশারি ব্যবহারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতাও নিয়েছি। তাতেও তেমন একটা কাজ হচ্ছে না। এজন্য তিনি সকললের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরো বলেন, বরগুনায় ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারন কারার কারন অনুসন্ধানে আইইডিসিআরের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি বরগুনায় কাজ করছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে ডেঙ্গুর মহামারির কারন।

আর/ এন

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪০:৫৫   ১১৭ বার পঠিত  |            







বরিশাল থেকে আরও...


বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন
কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
কাউখালীতে মৎস্য চাষিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ



আর্কাইভ