ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
পিরোজপুর: কাউখালীতে নড়েবড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করছে এলাকাবাসী। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া ও কাউখালী উপজেলার বর্ডার এলাকায় জোলাগাতি গ্রামের নুরু মেম্বারের বাড়ির সামনে জোলাগাতি খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পারাপার করছে এলাকাবাসীর সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা।
এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে এই সাঁকোটি তৈরি করে। এই ঝুঁকিপূর্ণ লম্বা সাঁকো পারাপার হয়ে উভয়পারের তিনটি বাজার, দুইটি মাদ্রাসা, তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুইটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করে।
প্রতিদিন এই নড়েবড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে কাউখালী ও ভান্ডারিয়া উপজেলার চারটি গ্রামের শত শত মানুষ পারাপার হয়। প্রায় সময়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। রোগী থাকলে তাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা এই সেতু উপর উঠতে না পেরে অনেক দূর ঘুরে এসে তাদের গন্তব্যস্থানে আসে।
এলাকাবাসী মিরাজ মীর জানান, এই সাঁকোটি ৫০-৬০ বছর আগে এলাকাবাসী তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্মাণ করেছেন। সরকারিভাবে তারা কোন সহযোগিতা পাইনি। মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সাথী আক্তার ও স্কুল ছাত্র আবু বকর জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পারাপার হয় যেতে হয়। এলাকার হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, এলাকার অভিভাবকরা সবসময় আতঙ্কে থাকেন ওই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পারাপার হয়ে ছাত্র ছাত্রীরা কোন দুর্ঘটনার স্বীকার হন কিনা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এই খালের উপরে একটি পুলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ ব্যাপারে শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী সিদ্দিকুর রহমান জানান, সাঁকোটি অনেক লম্বা। আমাদের পরিষদে এত বড় সাঁকো মেরামতের কোন বাজেট নেই। সাঁকোটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা জানান, আপনাদের মাধ্যমে ওই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোর অবস্থা জানতে পেরেছি। এত বড় বাঁশের সাঁকো সরকারি ভাবে বরাদ্দ ছাড়া নির্মাণ করা সম্ভব না। সরকারিভাবে বরাদ্দ পেলে একটি পুলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৭:৪৬:০২ ২৪১ বার পঠিত | ● কাউখালী ● বাঁশ ● সাঁকো