ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
পিরোজপুর: কাউখালী উপজেলার বদ্বীপ ক্ষেত ইউনিয়ন সয়না রঘুনাথপুরের সাথে পিরোজপুর জেলা শহরে যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ও সংক্ষিপ্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সয়না হুলারহাট এই খেয়া ঘাট। এই ঘাট থেকে প্রতিদিন ইউনিয়নের শত শত বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ সহ শিক্ষার্থী , কৃষক, শ্রমিক ও সাধারন মানুষ স্কুল কলেজ ,অফিস আদালত সহ জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজের সন্ধানে সয়না খেয়াঘাট থেকে হুলার হাট খেয়া পাড় হয়ে পিরোজপুরে যাতায়াত করে।
আর এই খেয়াঘাটটি বিশাল নদী কালীগঙ্গার তীরে সয়নায় অবস্থিত। এখান থেকে হুলারহাটে যেতে সয়না রঘুনাথপুরের প্রায় ২ শত মিটার নদীর চরের উপরে নাজুক চিকন বাঁশের সাঁকো পাড় হয়েই খেয়া পারাপারে ট্রলারে উঠতে হয়। এই খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকো নাজুক ও দূর্বল হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত সাঁকো থেকে পড়ে অনেকেই আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। সয়না, রঘুনাথপুর, মেঘপাল, ধাবড়ী, শিষা, বান্দাকান্দা, হোগলা, বেতকা, হরিনধারা, সোনাকুর সহ ১০ গ্রামের লোকজন সহজে যাতায়াত করে এই খেয়াঘট দিয়ে।
এমনকি পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার ইন্দেরহাট থেকে শুরু করে বাটনাতলা গ্রামসহ ৫/৬ গ্রামের লোকজন সংক্ষিপ্ত পথে পিরোজপুর জেলা শহরে যেতে এই খেয়াঘাট ব্যবহার করে হয়। এখানে হুলারহাট এবং সয়না দুই পাড়ের প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ট্রলার যাত্রী পারাপার করে তাদের জীবন জীবিকা অর্জন করে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ন খেয়াঘাটে হুলার হাটের অংশে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও কাউখালী সয়না রঘুনাথপুর ঘাটে বছরে পর বছর সাঁকো সঠিক ভাবে মেরামত করা হয়না।
এ দিকে এই ঘাট থেকে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় করলেও যাত্রীদের দূভোগ নিরসনের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নয়ন, ফারজানা, এলাকাবাসী মাসুম সহ অনেক যাত্রীরা অভিযোগ করে বলে যে, সয়না থেকে হুলারহাট যেতে ভরপুর যাত্রী হলে প্রত্যেক যাত্রীকে ২০ টাকা দিতে হয়। আবার যাত্রী কম হলে ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা গুনতে হয়।
এ ব্যাপারে সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বলেন, এই ঘাট ইজারা দিয়ে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করলেও যাত্রীরা কোনো সুবিধা পায় না। ২ থেকে ২৫০ মিটার নদীর চরের উপর থেকে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো পাড় হয়ে খেয়ার ট্রলারে উঠতে হয়।
চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমি নিজে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক পিরোজপুরের বরাবরে ঘাটটি সংস্কারের জন্য আবেদন করা হলেও কোনো লাভ হয়নি। অথচ যাত্রীদের কাছে থেকে সরকারি নির্ধারিত টাকার চেয়েও অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। জনগণের স্বার্থে এখানে একটি স্থায়ী ঘাট দরকার।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪২:৩৬ ১৫৪ বার পঠিত | ● কাউখালী ● খেয়াঘাট ● যাত্রী