ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ঢাকা » দোহারে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ফাঁকা শিরোনামে সংবাদের ব্যখ্যা

দোহারে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ফাঁকা শিরোনামে সংবাদের ব্যখ্যা


নিজস্ব প্রতিবেদক ( ঢাকা )
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫


দোহারে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ফাঁকা শিরোনামে সংবাদের ব্যখ্যা

ঢাকা: দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ফাকাঁ, প্রয়োজনীয় কাজে অফিসে গিয়ে সাক্ষাত পান না এমন অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার কয়েক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শিক্ষকদের। সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার তথ্য মতে, হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মারুফ হোসেন জানান খাতা থাকে শিক্ষা কর্মকর্তার ড্রয়ারে তালা মারা।
এই নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে হৈচৈ পড়ে গোটা উপজেলা পরিষদে।
প্রকাশিত সংবাদে অভিযোগ রয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুশ শিহার সপ্তাহে তিনদিন অফিসের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দোহার পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। সেখানেও তাকে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের। আর সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শারমিন আক্তার তিনিও সুযোগ বুঝে অফিস করেন না।

অপরদিকে শিক্ষা অফিসের হিসাব সহকারী ফিরোজ আলমের অফিস রুমে গেলে তার চেয়ারটিও ফাঁকা পাওয়া যায়। এবিষয়ে জানতে তার মোবাইলে একাধিক ফোন দিলেও তিনিও রিসিভ করেননি। পরে তার মোবাইলেও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এই তিন কর্মকর্তা প্রতিনিয়ত অফিস ফাঁকি দিলেও মাস শেষে তুলে নেন পুরো মাসের বেতন।
অভিযোগের ভিত্তিতে গত দুই সপ্তাহের অনুসন্ধানে মেলে ঘটনার আসল সত্যতা। চলতি বছরের ২৩ মার্চ দোহারে যোগদান করেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। সর্বশেষ গত রোববার সকাল ১১টায় শিক্ষা অফিসে গেলে তার অফিসে ফ্যান ঘুরলেও চেয়ারটিও খালি পাওয়া যায়। পাশের রুমে কর্মরত এক পিয়নকে জিজ্ঞেস করলে জানান শিক্ষা কর্মকর্তা আজ আসেননি।তিনি ঢাকায় অফিসের কাজে ব্যাস্ত।

এ বিষয়ে জানতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুশ শিহার’র মোবাইলে ফোন দিলে তিনি বলেন উপজেলার ১৬টি বিদ্যালয়ের প্রজেক্টর আনতে জেলা শিক্ষা অফিসে দৌড়-ঝাপ করতে টানা দুইদিন ঢাকায় থাকতে হয়েছে।তাছাড়াও একটি ট্রেনিং থাকায় গত সপ্তাহের একদিন অফিসে থাকতে পারি নি।যা অফিসবুকে এন্ট্রি দেওয়া রয়েছে।

এছাড়াও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে সরকারি ডরমেটরীতে তিনি উঠেছেন। সেখানেই থাকেন তিনি। অফিস না করার কোন কারনই থাকতে পারে না বলে জানান তিনি। অভিযোগের বিষয়টি সাজানো ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সম্প্রতি তিনি যোগদানের পর উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের স্কুলে উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মান নিয়ে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা শুরু করেছেন তিনি।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শারমিন আক্তারকে। উল্লেখ্য গত সপ্তাহ থেকে তিনি ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে তিনি। তবে শিক্ষা অফিসের হিসাব সহকারী ফিরোজ আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৪:২২   ২৭৭ বার পঠিত  |            







ঢাকা থেকে আরও...


কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
মধুখালীতে গাঁজাসহ ‘হাতকাটা রাজিব’ গ্রেপ্তার
সদরপুরে নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
দোহারে ইট ভাটায় পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন, কাটছে ফসলী জমি
ভূঞাপুরে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন সেলিনা



আর্কাইভ