ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ভোলা: চরফ্যাসনে গাছের সুপারী নেয়ায় ছায়েরা নামের বৃদ্ধ পুত্রবধুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নাছিমা নামের এক পাষ- পুত্রবধুর বিরুদ্ধে। এতেই থেমে যায়নি ওই পুত্রবধুসহ রিদয় ও রক্তিম নামের নাতি। বৃদ্ধা শ্বাশুরীকে বাড়িথেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেন। পরে খবর পেয়ে অপর পুত্রবধু তাকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
গত বৃহস্পতিবার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বৃদ্ধের স্বামীর বাড়িতে এঘটনা ঘটে। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহত বৃদ্ধ নারী জানিয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধ বিবি ছায়েরা জানান, তার স্বামীর মৃত্যুরপর তিনি ছোট ছেলে ও পুত্রবধুর সঙ্গে বসবাস করতেন। আমার সৎ ছেলে গোলাম কিবরিয়া ও তার স্ত্রী নাছিমা বেগম ও দুই ছেলে রিদয় ও রক্তিমকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। পরে সৎ ছেলের চরফ্যাসন বাজারে ব্যবসার সুবাধে চরফ্যাসনে ভাড়া বাসায় থাকেন।
ঘটনার দিন তার পুত্রবধু লিমা বেগম ছোট আবদুল্লাহকে নাতিকে নিয়ে চরফ্যাসনে ডাক্তার দেখাতে যান।নাতিকে ডাক্তার দেখিয়ে তিনি পুত্রবধু লিমা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। আমি একাই ছেলের ঘরে ছিলাম। বিকালে স্বামীর বাড়ির গাছের সুপারী পারলে খবর পেয়ে আর সৎ পুত্রবধু নাছিমা বাড়িতে ছুটে এসে সুপারী নেয়ার কারন জানতে চান। এনিয়ে আমার সাথে পুত্রবধুর তর্কবিতর্ক হয়। তর্কের জেরে সৎ ছেলের স্ত্রী পুত্রবধু নাছিমাসহ তার দুই ছেলে তার ওপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে মারধর আমাকে গুরুতর আহত করেন। পরেদিন সকালে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমার পুত্রবধু লিমা এসে আমাকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুত্রবধু লিমা জানান, আমি এবং আর সৎ ঝাঁ একই বাড়িতে বসবাস করতাম। সম্প্রতি সময়ে তার বাসা ভাড়া নিয়ে চরফ্যাসনে চলেন যান। এখন আমি আমার স্বামী সন্তান ও বৃদ্ধা শ্বাশুরীকে নিয়ে শ্বাশুর বাড়িতে বসবাস করছি। সোমবার সকালে আমি ছোট ছেলেকে ডাক্তার দেখানোর জন্য চরফ্যাসনে চলে আসি এবং ডাক্তার দেখিয়ে হাসপাতাল থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাই। বৃদ্ধ শ্বাশুরী একাই বাড়িতে ছিলো।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারি আমার বৃদ্ধ শ্বাশুরী খাওয়ার জন্য গাছের সুপারী পারেন। গাছের নেয়ার খবর পেয়ে আমার সৎ ঝাঁ চরফ্যাসন থেকে শ্বশুর বাড়িতে যান। এবং আমার বৃদ্ধ শ্বাশুরীকে মারধর করেন। এমন খবর পেয়ে আমি বাড়িতে যাই এবং মারধরে আহত বৃদ্ধ শ্বাশুরীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করি।
অভিযুক্ত নাছিমাকে একাধিক বার ফোন করলেও তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি। তবে তার স্বামীকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি তাই তাদেও বক্তব্য জানা যায়নি।
চরফ্যাসন থানার ওসি মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, এঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৪:২৭ ২৩৯ বার পঠিত | ● চরফ্যাসন ● পুত্রবধু ● মারধর ● শ্বাশুরী