ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ময়মনসিংহ: ঈশ্বরগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. মতিউর রহমান (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মাথার খুলিতে আঘাত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি সিরাজুল ইসলাম (২৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্শ্ববর্তী গৌরীপুর উপজেলা থেকে সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সিরাজুল ইসলাম ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকার ধামদী গ্রামের মৃত হাবিল মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ১২ এপ্রিল রাতে ধামদী গ্রামে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মতিউর রহমান ও তার চার ছেলেকে দেশীয় অস্ত্র এবং লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এতে মতিউর রহমান গুরুতর আহত হয়ে এখনো সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। যদিও তার চার ছেলে চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।
ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রমজান আলী (২৭) বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। সিরাজুল ইসলাম ওই মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিরাজুল ইসলাম স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল এবং নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা দাবি করতো। তার নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ব্যবসা, অনলাইন জুয়াসহ নানা অপরাধ সংঘটিত হতো। এসব কাজে সে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সহায়তা নিত বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা সিরাজুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, “সিরাজুল ইসলামকে পেনাল কোড ৩২৬ ধারার অপরাধে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো অপরাধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে, সেগুলোও তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:০১:৩৮ ৬৫ বার পঠিত | ● ঈশ্বরগঞ্জ ● গ্রেফতার ● যুবক