ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন উলিপুরে ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা গোবিন্দাসী ৫ কোটি টাকার গরুর হাটের ইজারা মূল্য এখন অর্ধ কোটি! ভেড়ামারায় ‘ভূমি সেবা মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন বানিয়াচংয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ষণের শিকার নারী টানা দ্বিতীয়বার ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সালথার বাবলুর রহমান খান নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন খোকন কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫


ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

পটুয়াখালী: বাউফল উপজেলার রাজাপুর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে। বছরের পর বছর কোনো সংস্কার না হওয়ায় ভবনটি এখন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক ও স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার একতলা বিশিষ্ট পাকা ভবনের ছাদ ও দেয়ালে ফাটল ধরেছে, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে রড বেরিয়ে আছে। দরজা-জানালাও ভেঙে গেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। প্রায় ২২ বছর আগে নির্মিত এ ভবনটি নির্মাণের সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও পরে আর কোনো সংস্কার হয়নি।
চার কক্ষের ওই ভবনের দুটি কক্ষে বর্তমানে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠদান চলছে। অপর দুটি কক্ষ ব্যবহৃত হচ্ছে সুপার এবং শিক্ষকদের অফিস হিসেবে। পাশেই রয়েছে একটি টিনশেড ভবন, যার মেঝে মাটির। বৃষ্টি হলে টিন ফুটো দিয়ে পানি পড়ে কাদা জমে যায়। একটু বাতাসেই কাঁপতে থাকে পুরো ঘর, ফলে বর্ষায় পাঠদান প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
দশম শ্রেণির ছাত্র রেজাউল করিম বলেন, ‘ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে, ক্লাসে ঢুকলে আতঙ্কে থাকি। বই-খাতা নিয়ে বসে থাকলেও মনে থাকে না পড়া।’ সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মানসুরা আক্তার জানান, ‘বৃষ্টির দিনে টিনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, তখন কাদার মধ্যে বসেই ক্লাস করতে হয়। বইও ভিজে যায়। বেশি বাতাস হলে মনে হয় ঘর ভেঙে যাবে।’স্থানীয় অভিভাবক মো. আলামিন বলেন, ‘বাচ্চারা প্রতিদিন ভয়ের মধ্যে স্কুলে যায়। আমরা চিন্তায় থাকি কখন কী হয়।’
সহকারী শিক্ষক কামরুজ্জামান জানান, ‘এ রকম পরিবেশে পাঠদান সম্ভব না। শিক্ষার্থীরা ভয় আর উৎকণ্ঠার মধ্যে ক্লাস করে, ফলে মনোযোগও থাকে না।’
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘৫ বছর ধরে ভবনের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। বিভিন্ন দপ্তরে ভবন নির্মাণের আবেদন দিয়েছি, কিন্তু কোনো অগ্রগতি নেই।’
এ বিষয়ে পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। অনুমোদন মিললেই ভবন নির্মাণ শুরু হবে।’

আর/ এন

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪১:৩৮   ১৬১ বার পঠিত  |         







বরিশাল থেকে আরও...


বগা সেতু নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন
কলাপাড়ায় সৌদিপ্রবাসী নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
কাউখালীতে মৎস্য চাষিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ



আর্কাইভ