ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ঢাকা: দোহার উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নারিশা ও মুকসুদপুরের ডাকবাংলো এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে প্রশাসনের যৌথ অভিযানে তিনটি ড্রেজার আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস ও অসংখ্য বালু সরবরাহের পাইপ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্বে দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) তাসফিক সিবগাত উল্লাহ, দোহার ক্যাম্প কমান্ডার মেজর এ কে ওয়াফিজ উদ্দিন আহমেদ, দোহার থানার ওসি মো.হাসান আলী, ওসি (তদন্ত) মো.নুরুন্নবী, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যবৃন্দরা।
অভিযানে নারিশা ও মুকসুদপুরের ডাকবাংলো এলাকায় পদ্মানদীর পাড়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৩টি ড্রেজার মেশিন জব্দ ও বালু সরবরাহের অসংখ্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্দেশে জব্দ ড্রেজার তিনটিতে আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী কয়েক বালু ব্যবসায়ীরা নদী থেকে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ফলে পদ্মা রক্ষা বাধঁ ও পাশের জমিগুলো ধসে পড়ার উপক্রম হয়ে দাড়িয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার নিষেধাজ্ঞা জানানোর পরও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট নদীর পাড় থেকে রাতের আধাঁরে বালু উত্তোলন করে আসছিলো।
অবশেষে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন,সেনাবাহিনী ও দোহার থানার যৌথ অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এ সময়ে নদীর পাড় এলাকায় থাকা ৩টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয় এবং বালু সরবাহের অসংখ্য পাইপ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট তাসফিক সিবগাত উল্লাহ বলেন, অনুমতি ছাড়া কৃষি জমি বা নদী-জলাশয় থেকে মাটি-বালু উত্তোলন আইনগত অপরাধ। এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। জনমাল ও পরিবেশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না কাউকেও। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২২:১৪:০৩ ৪৬৩ বার পঠিত | ● জব্দ ● ড্রেজার ● দোহার. ঢাকা জেলা