ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » বাউফলে ভূমি জরিপের ৩০ ধারার নামে উৎকোচের অভিযোগ

বাউফলে ভূমি জরিপের ৩০ ধারার নামে উৎকোচের অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার,( বাউফল )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫


বাউফলে ভূমি জরিপের ৩০ ধারার নামে উৎকোচের অভিযোগ

পটুয়াখালী: বাউফলে ভূমি জরিপের ৩০ ধারা কার্যক্রমে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে । এতে জমির প্রকৃত মালিকরা ভোগান্তির শিাক হচ্ছে । বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।জানা গেছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা এবং চন্দ্রদ্বীপ মৗজায় বর্তমানে দিয়ারা সেলেটমেন্ট অপারেশন কর্মসূচীর আওতায় ‘বাংলাদেশ সার্ভে’ বিএস জরিপ চলছে। ২০২৪ সালে এ মাঠ পর্যায়ে জরিপ শেষে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কেস নিয়ে ৩০ ধারায় আবেদন চলছে। ইতিমধ্যে কেসগুলোর মাঠ জরিপ ও খসড়া খতিয়ান প্রকাশ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ৩০ ধারার নিস্পত্তির কার্যক্রম চলছে।

ভুক্তভোগীশহিদুল ইসলামরে নামে মাঠে এবং তষদিকে স্তানে রেকর্ড করা হয় । কিন্ত দখলে রেখেছেন অঅলতাফ হোসেন । অভিযোগ মাঠ জরিপের সময় জমির মালিকের নাম ও নকশা পরিবর্তন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কতিপয় দালালের মাধ্যমে জমির মালিকদের জিম্মি করে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তারা ওই টাকা হাতিয়ে নেন। পরে প্রতিটি কেসে ১০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খসড়া খতিয়ান পেতে হয়েছে। এখন আবার নতুন করে ৩০ ধারা নিস্পত্তি করতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছেন সেটেলমেন্ট কর্মকর্তারা।

অভিযোগ রয়েছে,টাকা লেনদের বিষয়টি কারও কাছে প্রকাশ করলে জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দেওয়া, নকশা বা খতিয়ানে ভুল এবং নানান আপত্তি দেখিয়ে কেস ঝুলিয়ে রাখার হচ্ছে। ইসমাইল নামের এক কৃষক অভিযোগ করেন, খলিলুররহমান নামের এক কাননগো তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ নেন,নকশা পরিবর্তন করে দিবেন বলে, পরে তিনি তার কেস রেখে চলে যান । এ বিষয়ে কাননগো খলিলুররহমান বলেন, তিনি কোন ঘুষ নেয়নি । তবে তার নকশা ভুল করেছেন সার্ভেয়ার । এ কেসটি এখন ৩০ ধারা করলে ফয়সালা হবে ।

,ভুক্তভোগিরা জানান, শৌলা গ্রামের মাইনুদ্দিন ও চান মিয়াস নামের দু দালালের মাধ্যমে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও আবদুস সালাম ৩০ ধারা নিস্পত্তির নামে ঘুষের টাকা আদায় করছেন। বাউফল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি পুরানো কক্ষে বসে ৩০ ধারা নিস্পত্তি করা হচ্ছে। অবশ্য ৩০ ধারা নিস্পত্তির নামে ঘুষ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও আবদুস সালাম বলেন, তরা ৩০ ধারা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে ফয়সালা দিচ্ছেন । কিন্তু সমস্যটা করে গেছেন আগে খলিল কাননগো । এখন এই বদনাম তাদের ওপর পরছে ।

কেসমত আরা বেগম নামের নামের এক ভুক্তভোগী এক নারীর কাছ থেকে কাছ থেকে ঘুষের টাকা নেওয়ার সময় রাব্বি নামের এক দালালকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেন কয়েক সাংবাদিক। পরে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে ওই দালাল পালিয়ে যায়। কেসমত আরা বলেন, জরিপের কাজ করতে এসে আমাদেরকে দালালদের মাধ্যমে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।

বরিশাল থেকে আসা সোলায়মান নামের এক জমির মালিক ভুক্তভোগী বলেন, জরিপের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কয়েক দফায় প্রায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেকে স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাদের ঘুষের টাকা দিয়েছে বলে বিষয়টি এলাকায় চাউর হয়েছে।
এ বিষয়ে বাউফলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আমার কাছে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ নিয়ে আসার পর বিষয়টি বরিশালের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করি। পরে একজন সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

এখন যারা দায়িত্বে আছেন তাদের বিষয়টিও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার ৩০ ধারার লোকজন এসে দেখতে পান তারা তালা রাগিয়ে চলে গেছে । বিষয়টি বরিশাল সেটেমেন্ট অফিসে অবহিত করেছি ।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:০১:৩৩   ৭৫ বার পঠিত  |      







বরিশাল থেকে আরও...


লালমোহনে তরমুজ চাষিদের থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাঁঠালিয়ায় ব্যবসায়ীর রিং স্লাব ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ
দুমকিতে কেনাকাটায় জমছে ঈদ বাজার
কাঁঠালিয়ায় স্কুল শিক্ষক ছোট ভাইয়ের মারধরের শিকার বড় ভাই
কাউখালীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা



আর্কাইভ