ঢাকা বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নে বাঙ্গরা বাজার নিয়ে সৃষ্ট মব ও সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টা পাল্টি মামলা হয়েছে। বাঙ্গরা বাজারের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই ইউনিয়নের যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব কাউছার আলম ও বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী সমর্থিত রবিউল আওয়াল রবি’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে একটি দোকান ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে মব ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষেই পাল্টা পাল্টি মামলা করেছে।
বুধবার (২২/০৪)সকালে নবীনগর থানার অফিসার ইনর্চাজ রফিকুল ইসলাম মামলা দুইটির বিষয়ে আজকের রুপান্তরকে নিশ্চিত করেন।তবে এক পক্ষের তিনজন গ্রেপ্তার হলেও অপর পক্ষের কেউই গ্রেপ্তার হয়নি।
বুধবার (২২/০৪) সকালে মবের শিকার অবরুদ্ধ জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবি’র স্ত্রী সালমা বেগম বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি ও জিনদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শামীম মিয়া মিয়াকে প্রধান করে ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব কাউছার আলমসহ ১১জনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একটি মামলা করেন।
অপরদিকে যুবদল নেতা কাউছার আলম গ্রুপের বাজার কমিটির সভাপতি ও জিনদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শামিম বাদী হয়ে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামকে প্রধান করে চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবিসহ ১০জনের বিরুদ্ধে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নবীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার বাঙ্গরা বাজারে সরকারি খালি জাগায় একটি দোকানঘর নির্মাণ করতে যান চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল এর ভাই শফিকুল ইসলাম তার লোকজন। ঘর নির্মাণের এ খবর পেয়ে কাউছার আলম গ্রুপের বাজার কমিটির সভাপতি শামিম তার লোকজন নিয়ে বাধাঁ প্রদান করে। তর্ক বির্তকের এক পর্যায় সংঘর্ষ ও উত্তেজিত শামীম ও তার অনুসারীরা ‘মব’ সৃষ্টি করে চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি ও তার ভাইদের মারধর করে একটি স্থানে অবরুদ্ধ করে ফেলে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে পুলিশ কৌশলে অবরুদ্ধ চেয়ারম্যান ও তার ভাইকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে থানায় নিয়ে আসে। পরে সন্ধ্যায় শামিম মামলা করলে ওই মামলায় ওসি তাদের গ্রেফতার দেখান।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১১:৫৪ ৩১ বার পঠিত | ● আহত ● নবীনগর ● মামলা ● সংঘর্ষ