ঢাকা    রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
• পাইকগাছা লোনাপানি কেন্দ্র থেকে বদলি, রুবেলকে বিদায় সংবর্ধনা • আলফাডাঙ্গায় রবিউল হত্যা মামলার ১৫ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার • ছৈলারচরকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে প্রশাসন • কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন বিলীন • কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, নবজাতকের মৃত্যু • লিখিত পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশ, মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক যুবক • কাউখালীর হাডুডু ফাইনালে কাঠালিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন জয়কুল ব্রাদার • অভিনয় ছাড়েন গায়ত্রী, বিয়ে করেন ধনকুবের বিকাশকে • বিয়ে ছাড়াই মাতৃত্বের কথা ভাবছেন রাইমা সেন • মিরপুরের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ায় জড়িতদের শাস্তি দাবি শফিকুর রহমানের


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন বিলীন

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন বিলীন


রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী(পিরোজপুর)
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন বিলীন

পিরোজপুর: কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের মধ্য সোনাকুর গ্রামের পালপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে নদীর পশ্চিম তীরে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে একটি বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পুরো এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরবর্তী কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে হঠাৎ নদীর তীরে ভাঙন শুরু হলে আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান। এ সময় স্থানীয় মনা মালোর বসতঘরটি চোখের পলকে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনে বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনও নদীতে পড়ে যায়।

নদীতীরবর্তী লোকনাথ, কালী, দুর্গা, শীতল ও গঙ্গা মন্দিরও বর্তমানে মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় মন্দিরগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সামনে দুর্গাপূজা থাকায় মন্দিরগুলো নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এলাকাবাসী অমল পাল, পরিমল পাল, তৃপ্তি পাল, রবি মালো, বিপুল মালো, সুজন মালো, সঞ্জীব মালো ও রমেন পালসহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি বসতবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এর আগে এই এলাকায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে ২০ থেকে ২২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অমল পাল ও রবি মালো বলেন, “সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। প্রাণ বাঁচাতে কোনো রকমে ঘর থেকে বের হয়ে আসি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভাঙনে আমাদের সর্বস্ব নদীতে চলে গেছে।”

ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল মালো বলেন, “গ্রামের পাঁচটি মন্দিরই এখন ভাঙনের মুখে। সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। মন্দিরগুলো রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়েই আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি।”

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভাঙনকবলিত ও গৃহহারা পরিবারগুলোর অনেকেই অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটিয়েছেন। শেষ আশ্রয়টুকুও নদীগর্ভে বিলীন হলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন—এমন দুশ্চিন্তায় তাঁরা দিশেহারা। দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকাবাসী।

ভাঙনের খবর পেয়ে আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার জেলা পর্যায়ের একটি সভায় থাকায় তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেছেন। ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।

এন/ এস

বাংলাদেশ সময়: ২২:১১:৩৪   ৫ বার পঠিত  | ●   ●   ●







বরিশাল থেকে আরও...


● ছৈলারচরকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে প্রশাসন
● কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বসতঘর ও বিদ্যুতের লাইন বিলীন
● কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, নবজাতকের মৃত্যু
● লিখিত পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশ, মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে আটক যুবক
● কাউখালীর হাডুডু ফাইনালে কাঠালিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন জয়কুল ব্রাদার



আর্কাইভ