ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » কলাপাড়ায় মরা খালে দখল দারের দুশমনি ছোবল

কলাপাড়ায় মরা খালে দখল দারের দুশমনি ছোবল


কলাপাড়া (পটুয়াখালী ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫


 

কলাপাড়ায় মরা খালে দখল দারের দুশমনি ছোবল

পটুয়াখালী: কলাপাড়ায় মরা খালে দখলদারের বসতবাড়িসহ পুকুর খনন করার কাজ চলছে। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গামৈরতলা গ্রামের দৃশ্য এটি। এখনও বর্ষাকালে কোমর সমান পানি থাকে খালটিতে। স্থানীয়ভাবে কেউ এ খালের নাম জানেন না। তবে পাখিমারার খালের সঙ্গে সংযোগ ছিল এক সময়। কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়ক নির্মাণে খালটির পানির প্রবাহ থমকে যায়। তবে এখনও রাস্তার দুইদিকে থাকা খালের অংশ দিয়ে বর্ষায় বিলের পানি ওঠানামা করছে খালটি দিয়ে। কিন্তু এখন খালটি নিশ্চিহ্নের শঙ্কায় পড়েছে। বলতে গেলে খালটির মৃত্যুর শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

খালপাড়ের বাসীন্দা হানিফ তালুকদার জানান, পাখিমারার খালের সঙ্গে ডলমুইয়া খালের সংযোগ ছিল এ খালটির। নেয়ামতপুর গ্রামের দিকের অংশ ভরাট হয়ে বিলের কৃষি জমির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। বাকি গামইরতলার অংশ যতটুকু রয়েছে সেখানে এখনও বর্ষায় কোমর সমান পানি থাকে। বিলের পানি ওঠা-নামা করে। কৃষি কাজের জন্য এটি রক্ষা করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের দাবি প্রথমত রাস্তা করায় এ খালটির পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপরে ইসলামপুর গ্রামের হাবিব গাজীর নামে চাষযোগ্য কৃষি জমি দেখিয়ে রাস্তার দুই পাশ দিয়ে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। তখন প্রবহমান খাল ছিল। ভূমি অফিস প্রথম দায়ী খালটি নষ্ট করার জন্য। বন্দোবস্তগ্রহীতা এতকাল চুপচাপ ছিলেন। এখন ভরাট করছেন। করছেন বাড়িঘর। স্থানীয়দের দাবি খালটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

অভিযুক্ত হাবিব গাজী জানান, তিনি ২৭-২৮ বছর আগে দেড় একরের কার্ডে (বন্দোবস্ত) খালের এ জমির মালিক হয়েছেন। আর পানি চলাচলে কোন সমস্যা হবে না বলেও দাবি করেন। তবে ২৭-২৮ বছর আগে পানিতে পরিপূর্ণ থাকা খালকে কীভাবে চাষযোগ্য কৃষি জমি দেখিয়ে বন্দোবস্ত নিয়েছেন- এমন প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আরাফাত হোসেন জানান, সরকারি খাল দখল-ভরাট কোন ক্রমেই গ্রহনযোগ্য নয়। খাল না থাকলে কৃষি উৎপাদন ভয়াবহ সংকটে পড়বে। এটি প্রতিরোধ করতে হবে। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনী পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম জানান, তিনি সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন। খাল রক্ষায় বাঁধ অপসারণে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অন্যায়ভাবে খাল কিংবা খাস জমি দখলের সুযোগ নেই। তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন।

এইচ/এল

বাংলাদেশ সময়: ২১:৫৪:৫৭   ১৮৭ বার পঠিত  |                  







বরিশাল থেকে আরও...


লালমোহনে তরমুজ চাষিদের থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
কাঁঠালিয়ায় ব্যবসায়ীর রিং স্লাব ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ
দুমকিতে কেনাকাটায় জমছে ঈদ বাজার
কাঁঠালিয়ায় স্কুল শিক্ষক ছোট ভাইয়ের মারধরের শিকার বড় ভাই
কাউখালীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা



আর্কাইভ