ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
ময়মনসিংহ: অনাগত সন্তানের মুখ দেখে যেতে পারলেন না মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত নয়ন মিয়া স্বামীকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায় দুই সন্তানের জননী এবং চারমাসের অন্তঃসত্ত্বা নয়ন মিয়ার স্ত্রী।স্বামীর এমন মৃত্যু দেখতে হবে—এমনটি হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের শালজান এলাকায় অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় নয়ন মিয়ার সে ফুলপুর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কৈইচাপুর গ্রামের রবি মিয়ার ছেলে।
এই ঘটনায় আহত ঐকি গ্রামের মোটরসাইকেল চালক হাবিবুর রহমানের ছেলে রাসেল এবং মোটরসাইকেলর পিছনে বসে থাকা আজিম উদ্দিনের ছেলে রাকিবুল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এরমধ্যে রাকিব এর অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পাঞ্জা লড়ছে তার প্রাণ।রাকিবের পরিবারেও নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার।
অন্যদিকে নিহত নয়ন মিয়ার একক উপার্জনেই পুরো পরিবারটি চলত।একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারটি দিশাহারা হয়ে পড়েছে বলে জানান প্রতিবেশীরা ।
পেশায় পোশাক শ্রমিক নয়ন মিয়া গতকাল বুধবার উপজেলা বালিয়া ইউনিয়নের শালজান এলাকায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে নয়ন মিয়ার মৃত্যু হয়।
নয়ন মিয়ার প্রতিবেশী কলিম উদ্দিন ফকির জানান নয়ন মিয়া পরিবারটির একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি মারা গেছেন।দুটি শিশুও এতিম হয়ে গেল।বাবার আদর তারা কোনো দিন পাবে না। অনাগত সন্তান তার বাবার মুখটাও দেখতে পারবে না বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।এমন মৃত্যুতে ওই পরিবারসহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ মেম্বার জানান সামান্য বসতভিটা ছাড়া তাঁদের আর কোনো সহায়-সম্পত্তি নেই।নয়ন সংসারের খরচ চালাতেন। স্ত্রী-সন্তানসহ তাঁর মৃত্যু হওয়ায় এখন পরিবারের খরচ চালানোই দায় হয়ে যাবে পরিবারটির।
তবে শোকাহত গ্রামবাসী এ ঘটনার মোটরসাইকেল চালকের দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালানোকেই দায়ী করেছেন।এ ঘটনায় তাদের মাঝে এক ধরনের ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আব্দুল হাদি জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৭:০৯:২২ ২২৮ বার পঠিত | ● নিহত ● ফুলপুর ● সড়ক