ঢাকা    রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড • মানিকগঞ্জের বেউথায় কালীগঙ্গায় নৌকাবাইচ ঘিরে জনসমুদ্র • দুমকির অপহৃত ১২ বছরের শিশুকে কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ • আড়াইহাজারে নবনিযুক্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সংবর্ধনা • ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ • কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল • আসিয়াবের ১০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, সাবেক হিসাবরক্ষক হাফিজ কারাগারে • বাল্যবিয়ের ছোবলে কমছে উলিপুরের বালিকা শিক্ষার্থী, সংকটে প্রতিষ্ঠান • অনুমতির ছাড়াই পাহাড় কাটায় নবীগঞ্জে মাটি বিক্রি, বন্ধ করল প্রশাসন • হলতা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোর জিহাদের মরদেহ উদ্ধার


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » চট্রগ্রাম » হাতিয়াকে নদী বন্দর ঘোষণা,উপকূলবাসীর স্বপ্নপূরণ

হাতিয়াকে নদী বন্দর ঘোষণা,উপকূলবাসীর স্বপ্নপূরণ


এম সাখাওয়াত হোসেন,হাতিয়া(নোয়াখালী)
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫


হাতিয়াকে নদী বন্দর ঘোষণা,উপকূলবাসীর স্বপ্নপূরণ

নোয়াখালী: বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াকে ‘নদী বন্দর’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ড ওছখালীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে। রবিবার রাতে উপজেলা সদর ওছখালীতে এ আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে ওছখালী বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব।উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আরেফিন আলী,আব্দুর রব রাশেদ মোহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন, মোহাম্মদ আবুল কাশেম‌। বক্তারা বলেন,বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৩ জুন ২০২৫, মঙ্গলবার প্রকাশিত এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেহেতু ওই এলাকা নদী পথের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সেখানে নৌযান চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে, তাই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নদী বন্দর ঘোষণা করা হলো।
গেজেটে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের নির্দিষ্ট কিছু জায়গাকে এই নদী বন্দরের আওতায় আনা হয়েছে। এসব জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে জমির দাগ নম্বর দিয়ে। যেমন—২৩৩, ২৩৬, ২২০ নম্বর দাগ—যা মূলত স্থানীয় ভূমি রেকর্ড অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
এই নদী বন্দর ঘোষণার ফলে এখন থেকে ঐ এলাকাটি সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং সেখানে নৌযান চলাচল, পণ্য খালাস বা পরিবহন ইত্যাদি কর্মকাণ্ড আরও নিয়মতান্ত্রিকভাবে চালানো যাবে।
এমন একটি ঘোষণায় স্থানীয়দের মাঝে আশা ও সম্ভাবনার সঞ্চার হয়েছে। কারণ এতে একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগও বাড়বে। বিশেষ করে হাতিয়ার মতো নদীকেন্দ্রিক উপজেলায় একটি নদী বন্দর হলে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও নৌপর্যটনেরও সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের উপকূলীয় ও নদীনির্ভর অঞ্চলের উন্নয়নের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণসম্পাদক প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব বলেন,হাতিয়াকে নদী বন্দর ঘোষণা করে সরকার কর্তৃক গেজেট প্রকাশ উপকূলবাসীর স্বপ্নপূরণে এক মাইলফলক । এতে একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগও বাড়বে। বিশেষ করে হাতিয়ার মতো নদীকেন্দ্রিক উপজেলায় একটি নদী বন্দর হলে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও নৌপর্যটনেরও সুযোগ তৈরি হবে বলে আমি মনে করছি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫৬:১১   ৩৬৬ বার পঠিত  | ●   ●   ●







চট্রগ্রাম থেকে আরও...


● নবীনগরে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত চালুর দাবি বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের
● হাতিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধানসহ তিনজন আটক
● এক ইলিশ বিক্রি হলো সাড়ে ১৩ হাজার টাকা
● হাতিয়ার একট্রলার৬০ মণ ইলিশ, বিক্রি ২০ লাখ টাকায়
● হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান, হাতাহাতিতে আহত ৮



আর্কাইভ