ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
![]()
পটুয়াখালী: দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা, বাদী কারাগারে। প্রতিবন্ধী মেয়েকে ভিকটিম সাজিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সহযোগিতার অভিযোগ এনে মামলা করেন কোহিনুর বেগম নামে এক নারী। তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবার সেই মামলার বাদীকেই পাঠানো হল কারাগারে।
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিন মুরাদিয়া গ্রামে। অভিযুক্ত মোসা. কোহিনুর বেগম (৪৬), মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কামাল শরীফের স্ত্রী। রোববার (২২ জুন) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার শিরিন তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে দুমকি থানায় মোক্তার হোসেন মৃধা ও সহযোগী মেহেদী হাসান রাসেল হাওলাদারকে আসামি ধর্ষন মামলা করে। মামলার অভিযোগ ছিল, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ঘরে একা পেয়ে কোহিনুরের প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত না মেলায় মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হলে আদালত ওই দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। এরপর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগে রাসেল হাওলাদার কোহিনুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে রোববার তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, মেয়ে-জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ৫নং ইউপি সদস্য মোঃ নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম ও স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ও স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে পক্ষ না করায় একটি দুষ্ট চক্রের ইন্ধনে রাসেল হাওলাদার ও তাঁর পরিবারকে ফাঁসাতে এ মামলা করা হয়েছিল।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য মোঃ নাসির হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ধর্ষণ মামলার বাদীর মুঠো ফোনে কল করলে একজন রিসিভ করলে তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন তাঁরা তবে তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে কল কেটে দেন।
আর/ এন
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৬:৫৭ ২৮০ বার পঠিত | ● অন্যকে ফাঁসাতে ● জেল ● ধর্ষণ ● বাদীর ● মামলা ● মিথ্যা