ঢাকা    রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও নাজিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে এমপি সুলতানা জেসমিন জুইয়ের মতবিনিয় ভোলা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান লালমোহনে দেবরের মারধরে ভাবি আহত পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক পীরগঞ্জে এডিপি প্রকল্প হতে ২০৮ জন পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন কল্যাণমুখী রাজনীতি করে যাবো:ফজলুল হক মিলন এমপি সুজানগরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা লালমোহনে কলেজছাত্র হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » শিরোনাম » ২০০ টাকা লিটারে পেট্রোল-অকটেন সরকারের বেঁধে দেয়া দামেও মিলছে না জ্বালানি

২০০ টাকা লিটারে পেট্রোল-অকটেন সরকারের বেঁধে দেয়া দামেও মিলছে না জ্বালানি


রায়হান উদ্দিন সুমন, হবিগঞ্জ ( সিলেট )
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


 সরকারের বেঁধে দেয়া দামেও মিলছে না জ্বালানি
হবিগঞ্জ:আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে সরকার জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তার সুফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। বানিয়াচংয়ের খুচরা দোকানগুুলোতে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে তেল মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বেশি দাম দিলে পেতে কোনো বেগ পোহাতে হয় না। ফলে সাধারণ বাইক চালক ও পরিবহণ শ্রমিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও গভীর হতাশা বিরাজ করছে।
সরকার নির্ধারিত দামকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও তেলের দোকানদার প্রতি লিটার পেট্রোল/অকটেন ২০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে নিরুপায় হয়ে সাধারণ মানুষ এই আকাশচুম্বী দামেই তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ২০০ টাকার নিচে এক ফোঁটা তেলও মিলছে না অনেক জায়গায়, যা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
সরকার সম্প্রতি ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের একটি নির্দিষ্ট খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। একজন ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক জসিম উদ্দিন, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার বলল দাম নির্ধারণ করেছে, কিন্তু পাম্পে এসেও দেখি বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তারপর এক লিটার তেল নিতে হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, তাও নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিজনকে ২শ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না পাম্পগুলো। বাধ্য হয়ে খুচরা বাজার থেকে নিতে হচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ যাব কোথায়? আমাদের আয় তো আর ২০০ টাকা লিটার তেলের সমান বাড়েনি।
রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী তাজুুল হাসান বলেন, জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলো তেলের অভাব বা বাড়তি দামের কারণে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সময় মতো ও সঠিক দামে তেল না পাওয়ায় ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যার চূড়ান্ত মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের।
এদিকে সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম কার্যকর করতে না পারা এবং ২০০ টাকা লিটারে পেট্রোল বিক্রি হওয়া প্রশাসনের দুর্বলতা হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষ। সংকটের এই সময়ে তেলের সঠিক সরবরাহ এবং নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে না পারলে জনজীবনে স্থবিরতা ও হতাশা আরও প্রকট হবে। অসাধু সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সাধারণের স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এখন সময়ের দাবি বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা বেগম সাথী জানান, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখলে বা ২০০ টাকা লিটারে তেল বিক্রি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা নিয়মিত ফিলিং স্টেশন ও খুচরা বাজার মনিটরিং করছি। ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে খুচরা বিক্রেতাকে জরিমানা করা হয়েছে। এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪৫:২২   ১৪৭ বার পঠিত  |      







শিরোনাম থেকে আরও...


সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও
নাজিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে এমপি সুলতানা জেসমিন জুইয়ের মতবিনিয়
ভোলা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন
সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
লালমোহনে দেবরের মারধরে ভাবি আহত



আর্কাইভ