ঢাকা    রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড • মানিকগঞ্জের বেউথায় কালীগঙ্গায় নৌকাবাইচ ঘিরে জনসমুদ্র • দুমকির অপহৃত ১২ বছরের শিশুকে কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ • আড়াইহাজারে নবনিযুক্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সংবর্ধনা • ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ • কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল • আসিয়াবের ১০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, সাবেক হিসাবরক্ষক হাফিজ কারাগারে • বাল্যবিয়ের ছোবলে কমছে উলিপুরের বালিকা শিক্ষার্থী, সংকটে প্রতিষ্ঠান • অনুমতির ছাড়াই পাহাড় কাটায় নবীগঞ্জে মাটি বিক্রি, বন্ধ করল প্রশাসন • হলতা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোর জিহাদের মরদেহ উদ্ধার


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » খুলনা » কয়রায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণ

কয়রায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণ


তারিক লিটু,কয়রা ( খুলনা )
প্রকাশ: শনিবার, ২ মে ২০২৬


কয়রায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণ

খুলনা: কয়রা উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দুই স্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভূমি মন্ত্রাণনালয় ও জেলা পরিষদ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের অন্তাবুনিয়া গ্রামে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার পাশের খাস জমিতে ভবন নির্মাণ করছেন শফিকুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল নামে দুই ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি অফিসের কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় তারা এই নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খাস জমিতে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কোনো বিধান না থাকলেও লিজ নেওয়া জমিতে গত এক মাস ধরে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকি কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করে নির্মাণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১২ জন শ্রমিক ভবনটির কাজ করছেন। ইতিমধ্যে বেজমেন্ট ও দেয়ালের কাজ শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই ছাদ ঢালাই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মাহবুব চকিদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি জমি দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। কাজ বন্ধ করতে ভূমি মন্ত্রাণনালয় ও খুলনা জেলা পরিষদ আদেশ দিলেও তা মান্য না করে ভবন নির্মাণের কাজ চালু রাখা হয়েছে।

অভিযুক্তদের একজন স্বীকার করেছেন যে, লিজ নেওয়া সরকারি জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ বেআইনি। তবে তিনি দাবি করেন, প্রশাসনকে “ম্যানেজ” করেই কাজ চালানো হচ্ছে।

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ আল মাহমুদ বলেন, ভিপি খাস জমিতে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি।

এন/ আর

কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকী অভিযোগ পেয়ে ভবন তৈরির নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিলোও,অভিযুক্তরা ভবন নির্মাণ কাজ চালু রাখায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিযেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৬:১৬   ১৮৭ বার পঠিত  | ●   ●   ●







খুলনা থেকে আরও...


● ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড
● ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ
● ভেড়ামারায় বাল্যবিবাহ বন্ধ, আয়োজকদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা
● ভেড়ামারায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
● শাপলা কুঁড়ির মূল পর্বে ভেড়ামারার দুই খুদে নৃত্যশিল্পী



আর্কাইভ