ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
![]()
গাইবান্ধা : সুন্দরগঞ্জ উপজেলাধীন উত্তর শাহাবাজ গ্রামস্থ জামে মসজিদে গত বছর ৬/ ১১ /২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার হাফেজ মোঃনুরুন্নবী মন্ডল(১৭) ঈশার ফরজ নামাজের ইমামতি করেন।এটা নিয়ে উপস্থিত কোন মুসল্লির আপত্তি না থাকলেও পরের দিন ৭/১১/২০২৫ ইং তারিখে বাদ জুম্মায় মোঃ সুরুজ্জামান মিয়া( ৬৪) পিতা মৃত মনির উদ্দিন প্রামানিক নামক এক মুসল্লী এতে আপত্তি জানান এবং বিভিন্ন ধরনের গালমন্দ করেন।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইমামের বাবা মোঃ আঃ রহমান ওরফে জনাব আলী(৫০)এর প্রতিবাদ করেন।প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়।এক পর্যায়ে মসজিদের ভিতরেই উপস্থিত মুসল্লী দের সামনে ধাক্কা ধাক্কি শুরু হয়।
মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হস্তক্ষেপে উতপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করে উভয় পক্ষকেই ঘটনা টি পরে সমাধানের আশ্বাস দেন। ঘটনার দিনের কথা অনুযায়ী পরের সপ্তাহে উভয় পক্ষ কে মসজিদ কমিটি ডাকলেও শুধুমাত্র মোঃ আঃ রহমান ওরফে জনাব আলী উপস্থিত হন অপর পক্ষ মোঃ সুরুজ্জামান অনুপস্থিত থাকেন। পরবর্তীতে মসজিদ কমিটি পুনরায় মিটমাটের তারিখ অনুপস্থিত পক্ষ কে জানান। কিন্তু এতেও অপর পক্ষ নসুরুজ্জামান গং উপস্থিত না হয়ে কাল ক্ষেপণ করেন এবং পরবর্তীতে ১৪/১১/২০২৫ তারিখে সুন্দরগঞ্জ থানায় ৬জনকে আসামী করে বাদী হয়ে একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলা করেন। মামলার সাক্ষী গণও আপন লোককে করা হয়।
মামলা নং ১৪, ধারা সমূহ -৩৪১,৩২৩,৩২৪,৩২৬,৩০৭,৫০৬,১১৪ পেনাল কোর্ট রজু করেন।ইজারহার ভুক্ত আসামী গণ হলেন,১/,মোঃ আঃ রহমান ওরফে জনাব আলী,পিতাঃমৃত ওমর আলী মন্ডল, ২/মোঃ কায়েস মন্ডল,৩/কাওছার মন্ডল,৪/কামরুজ্জামান (কবীর মন্ডল) উভয়ের পিতা মৃতঃ আঃ করিম মন্ডল,৫/রাজা মন্ডল ও ৬/ রায়হান মন্ডল উভয়ের পিতা আঃ রশিদ মন্ডল। উক্ত মামলায় জামিন নিতে গেলে মামলার ২ও ৩ নং আসামী গাইবান্ধা জেলা দায়রা জজ ২নং ও ৩নং আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করে অপর আসামি গণ কে জামিন প্রদান করেন।এমতাবস্থায় আবারও মসজিদ কমিটিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বাদী মোঃ সুরুজ্জামানকে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন।কিন্ত বাদী প্রস্তাবকে বৃদ্ধাংলি দেখিয়ে গোপনে প্রভাব খাটিয়ে মামলার আইও কে প্রভাবিত করে তদন্ত ছাড়াই চলতি বছরের ৩১/০৩/২০২৬ তারিখে ৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬/১১৪ ধারায় চার্জশিট দাখিল করেন।উল্লেখ্য যে,বাদী এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে মামলায় প্রদানকৃত মিথ্যা বানোয়াট এজাহারেরও প্রাথমিক কোন তদন্ত করতে দেননি।এছাড়াও প্রতিনিয়ত আসামীগণকে নানা রকমের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।
এক পর্যায়ে আসামী গণ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে গণ মাধ্যমর শরণাপন্ন হলে সত্যি ঘটনা উদঘাটন করতে গিয়ে মসজিদ কমিটির বৃন্দ সহ ঘটনার সময় উপস্থিত মুসল্লী বর্গের সাথে বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন ঘটনা সত্যি কিন্তু মামলার ইজাহারে উল্লেখিত বিষয়সমূহ সৃ্ম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ঘটনার সত্যতা স্বীকারকারী গণের মধ্যে রয়েছেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ ছামসুল আলম প্রামানিক, সহসভাপতি মোঃ আঃ ওয়াহাব,সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দীন মন্ডল, মসজিদের ইমাম আঃ করিম উপস্থিত মুসল্লী মোঃ আঃ খালেক সহ অনেকে উক্ত ঘটনার বিবরণ দেন।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৯:৪১ ৫ বার পঠিত | ● মামলা ● সুন্দরগঞ্জ