ঢাকা    শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » দশমিনায় ধর্মীয় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

দশমিনায় ধর্মীয় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


 দশমিনায় ধর্মীয় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

পটুয়াখালী: দশমিনা উপজেলায় একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ধর্মীয় শিক্ষককে মারধর ও ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আহ্বায়ক কমিটির সভাপতির স্বামীর বিরুদ্ধে।

বুধবার,২২ জুলাই বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বিবি আয়েশা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যালয়ে ব্র্যাকের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মোসা. সেতারা বেগমের স্বামী মোঃ জামাল মিয়া ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সত্তারকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি আমাদের বিরোধিতা করেছেন।’ এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জামাল মিয়া তাকে মারধর করে বিদ্যালয় থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়লে মাওলানা আব্দুস সত্তার দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে তিনি অভিযুক্ত জামাল মিয়ার বিরুদ্ধে দশমিনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সত্তার বলেন, ‘আমি ১৯৯৭ সাল থেকে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করে আসছি। চলতি বছরের ২৮ জুন বিদ্যালয়ে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। তখন আমি অসুস্থ থাকায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। বুধবার সভা চলাকালে সভাপতির স্বামী আমাকে বলেন, ‘আপনি আমাদের বিপক্ষে কাজ করেন।’ এরপর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি সবার সামনে আমাকে মারধর করেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও জানাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘সভা চলাকালে জামাল মিয়া ও শিক্ষক আব্দুস সত্তারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তবে আমার সামনে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ জামাল মিয়া বলেন, ‘বুধবার বিদ্যালয়ে ব্র্যাকের একটি সভা ছিল। বৃষ্টির কারণে আমার স্ত্রী, যিনি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি, কিছুটা দেরি করছিলেন। তাই আমি আগে সেখানে যাই। আব্দুস সত্তারের সঙ্গে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। সভা শেষে বাইরে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

দশমিনা থানার ওসি মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা আব্দুস সত্তারের লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৫৪:১৬   ২৭ বার পঠিত  |      







বরিশাল থেকে আরও...


সড়কে খানাখন্দ,ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
দশমিনায় ধর্মীয় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
কাউখালীতে দেয়াল ভেঙ্গে স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি
লালমোহনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুইটি বসতঘর পুড়ে ছাই
বাউফলে পৌর বিএনপি সভাপতির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ



আর্কাইভ