ঢাকা শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
নীলফামারী: ডিমলা উপজেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটির বিষয় নিয়ে বর্তমান সময়ে বেশ আলোচনা শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।তৃনমূলের পছন্দ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিদের মনে জায়গা করে নিয়েছে একটি নাম-বর্তমান উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব হালিমুল হোসেন রাসেল।
রাজনৈতিক ধারাবাহিকিতায় তৃনমূল ছাত্রদলের নেতাকর্মিদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।তাকেই তৃনমুলের ছাত্রদল নেতাকর্মিরা আসন্ন আগামী দিনের ডিমলা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন পোষ্ট নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
তৃনমূলের আবেগঘন পোষ্টটি হুবহু তুলে ধারা হলোঃআসন্ন ডিমলা উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে অনেকেই শুধু ভিউ বাড়ানোর জন্য ফেসবুকে সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন নামের প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু তৃণমূলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে আমি বলতে চাই—পদ-পদবির প্রচারণা নয়, নেতৃত্বের মূল্যায়ন হওয়া উচিত ত্যাগ, সংগ্রাম, কর্মীদের পাশে থাকা ও রাজপথের পরীক্ষিত ভূমিকার ভিত্তিতে। বিগত সময়ে যখন অনেকেই কমিটিতে নাম থাকলে ভালো চাকরি হবে না, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে—এমন আশঙ্কায় দূরে সরে ছিলেন, তখন নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা না ভেবে রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো তৎকালীন সময়ে সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে সক্রিয় ছিলেন হালিমুল হোসেন রাসেল ভাই।
নিজস্ব প্রচেষ্টায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর্মী সংগ্রহ করেছেন, প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন প্রিয় নেতা প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ভাইয়ের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা হিসেবে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা উপেক্ষা করে বিগত দিনের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন সক্রিয়। ২০১৮ সালের পোস্টারিং থেকে শুরু করে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে ছাত্রলীগের হামলায় নির্যাতিত হওয়া, ছাত্রলীগ অফিসে রমজান মাসে রোজা থাকা অবস্থান মেরে রক্তাক্ত দেখা,ভাইয়ের সাথে সর্বদাই যোগাযোগ থাকায়,এসব নিচ চোখে দেখা, ২০২২ সালে যখন তৎকালীন আন্দোলন বেগবান হচ্ছিল, তখন রাসেল ভাই আমাদের সকলকে সুসংগঠিত করে ডিমলার বুকে ঐতিহাসিক মিছিলের নেতৃত্ব দেন এবং নতুন স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করেন— “তুহিন ভাই কথা দিলাম, রাজপথ দখল নিলাম।” “তুহিন ভাই বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশ।” ২৮ অক্টোবর ২০২৩ ঢাকায় মিছিলে স্লোগান দিয়ে নেতৃত্ব, পরবর্তীতে হরতাল-অবরোধে রাজপথের কর্মসূচি পালন এবং পরবর্তীতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার—কোনো কিছুই তাঁকে দমাতে পারেনি। জামিনের পরও তিনি আরও উজ্জীবিত হয়ে রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। জুলাই আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন, সাহস জুগিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ জুলাই RAB-13 তুলে নিয়ে যায় রাসেল ভাইকে,দীর্ঘ সময় গুম অবস্থায় থেকে,অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে জুলাই আন্দোলনের মামলায় কারাবরণ করেছেন। ভাই যখন কারাগারে, তখন আমরা সহযোদ্ধারাও রাজপথে আপসহীন ছিলাম।
৫ আগস্ট পরবর্তী দেশের কঠিন সময়ে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যখন ভঙ্গুর—তখন প্রিয় নেতা তুহিন ভাইয়ের নির্দেশে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দিন-রাত মন্দির পাহারা, মানুষের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। পরবর্তীতে বন্যার সময়ও তুহিন ভাইয়ের নির্দেশে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ত্রাণ বিতরণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। আজকের দিনে রাসেল ভাইয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু তাঁর রাজনৈতিক ত্যাগ নয়—তিনি সৃজনশীল চিন্তা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন।
ডিমলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন সুযোগের অভাবে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্যও তিনি নিজ উদ্যোগে বিনামূল্যে যাতে পড়াশোনা করতে পারেন,এই জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানেও গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে এবং নিষিদ্ধ লীগের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমত্তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন রাসেল ভাই। আমরা তৃণমূল পর্যায়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের একটাই প্রত্যাশা— ছাত্রদলের নিবেদিতপ্রাণ, তৃণমূলের আস্থা ও ভরসার প্রতীক, প্রিয় নেতা প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ভাইয়ের আস্থাভাজন ও প্রিয় ছাত্রনেতা হালিমুল হোসেন রাসেল ভাইকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।
আমরা বিশ্বাস করি, রাসেল ভাইয়ের সৃজনশীল পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ডিমলা উপজেলা ছাত্রদল একটি মডেল ছাত্রদল হিসেবে গড়ে উঠবে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে পৌঁছে যাবে অনন্য উচ্চতায়। তৃণমূলের একটাই দাবি— হালিমুল হোসেন রাসেল ভাইকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি চাই।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:০৩:০৩ ১১০ বার পঠিত | ● কর্মীরা ● ছাত্রদল ● ডিমলা ● তৃনমুল ● নেতা